নিজস্ব প্রতিনিধি:
রৌমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি হাসপাতাল রৌমারী বিএনপি নেতাদের কাছে অসহায় হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রৌমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আসাদুজ্জামান।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে হাসপাতালের একটি সরকারী বিজ্ঞাপন বিতারণ শেষে এসব মন্তব্য করেন তিনি। তিনি আরো বলেন সরকার পতন হতে না হতেই বেপরোয়া হয়েছে রৌমারী উপজেলার বিএনপির কিছু নেতা। যেনো তাদের কথায় আমার চালাতে হয় এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি। এবং এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি সকল কেনা কাটায় রাখতে হয় তাদের ভাগ। আর তাদের ভাগের কিছু গরমিল হলেই বাজে বিপত্তি তাদের এহন কর্মকান্ডে আমি অসহায় হয়ে পড়েছি। তবে উপজেলা বিএনপি বলছে এ বিষয়ে কিছুই জানেন না তারা।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অফিস সুত্রে জানাযায়, গত বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারী) বিকালে হাসপাতালের একটি সরকারি বিজ্ঞাপন তিন সাংবাদিকের পত্রিকার নামসহ তালিকা চুড়ান্ত করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষো। তবে হাসপাতালের এই বিজ্ঞাপনের বিষয়ে জান্তেপারে উপজেলা জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির উপজেলা কমিটির সদস্য আলমাছ হোসেন ভোলা। তখন বিএনপির এ নেতা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে বল প্রয়োগ করে বলে ইত্তেফাক পত্রিকার নামটা কেটে এ বিজ্ঞাপন টা আমাকে দেন আমি এটা আমর ভাতিজাকে দিবো তা না হলে আপনাকে দেখবো কি ভাবে আপনি অফিস চালান সহ আরো অনেক হুমকি দেয় অই বিএনপি নেতা। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামান বাধ্য হয়ে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার নামটা কেটে অই বিএনপি নেতার মনোনীত ব্যাক্তির পত্রিকায় দেয়। বিএনপি নেতার এহন কর্মকান্ডে স্থানীয় সাংবাদিক দের মাঝে আলোচনা সমালচোনার ঝড় উঠে ও চাপাক্ষোভ বিরাজ করছে।
রৌমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান সহকারী কর্মকর্তা মো. আনোয়ারুল ইসলাম সোহেল বলেন, আমরা যথা নিয়ম অনুযায়ী পত্রিকার বিজ্ঞাপনের প্রক্রিয়া শেষ করি তখন হঠাৎ করে বিএনপির নেতা ভোলা এসে টিএস স্যার কে প্রেশার প্রয়োগ করে বলে ইত্তেফাক পত্রিকার নাম কেটে এটা আমার ভাতিজাকে দিতে হবে। তখন স্যার বাধ্য হয়ে তার ভাতিজাকে এ বিজ্ঞাপটি দিয়ে দেয়। বিএনপি নেতার এহন আচারণ আসলে তা খুবই দুঃখ জনক ঘটনা আমরা এর প্রতিবাদ জানাই।
নাম না প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সাংবাদিক আক্ষেভ করে বলেন, স্বাধীন ভাবে কাজ করতেও সাংবাদিকরা পড়ে নানা বিপত্তির মাঝে। সম্প্রতি বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারী) বিকালে হাসপাতালের একটি সরকারি বিজ্ঞাপন তিন সাংবাদিকের পত্রিকার নামসহ তালিকা চুড়ান্ত করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষো। তখন হঠাৎ করে বিএনপির নেতা ভোলা এসে (উপজেলা প: প: কর্মকতা) কে চাপ প্রয়োগ করে বলে ইত্তেফাক পত্রিকার নাম কেটে এটা আমার ভাতিজাকে দিতে হবে। বিএনপি নেতারা হাসপাতালের (উপজেলা প: প: কর্মকতা) কে এভাবে চাপদিয়ে ইত্তেফাক পত্রিকার নাম কেটে তাকে দিতে হবে। তার এহন আচারণ আসলে খুবই দুঃখ জনক ঘটনা আমি এর প্রতিবাদ জানাই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুন আ.লীগের একাধীক ব্যাক্তি অভিযোগ করে বলেন, বাংলাদেশে সরকার পতনেরপর বেপড়য়া হয়েছে উপজেলা বিএনপি। তারা চাদাবাজি,জায়গা দখল, টেন্ডারবাজি সবকিছুতেই আ. লীগকে ছাড়িয়ে গেছে। তারা আরো বলেন, আমরা জখন টেন্ডার ফেলতে যাই তখন উপজেলা বিএনপির কিছু নেতা আমদের কে বলে, ১৪ বছর খাইছোস কিছুই বলি নাই এখন বেশি মাথা ঘামাবি না বেশি মাথা ঘামাবি তাহলে হাত পা বেধে তোদের কে এই উপজেলার চার তালা থেকে নিচে ফেলে দিবো।
সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতা আলমাছ হোসেন ভোলা বলেন, আমি সাংবাদিক না আমার ভাতিজা সাংবাদিক তাই আমার ভাতিজার জন্য একটা বিজ্ঞাপন চাইছি তা আমাকে দিয়েছে। তবে আমি ইত্তেফাক পত্রিকার নাম কাটতে বলি নাই যদিও কেউ বলে থাকে তাহলে সে ভুল বলছে।
রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আসাদুজ্জামান আক্ষেভ করে বলেন, সরকার পতন হতে না হতেই বেপরোয়া হয়েছে রৌমারী উপজেলার বিএনপির কিছু নেতা। যেনো তাদের কথায় আমার চালাতে হয় এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি। এবং এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি সকল কেনা কাটায় রাখতে হয় তাদের ভাগ। আর তাদের ভাগের কিছু গরমিল হলেই বাজে বিপত্তি। বিএনপির কিছু নেতার দাপটের কাছে আমি অসহায় হয়ে পড়েছি। তিনি আরো বলেন, আমি চাইলেও কনোপত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতেপারি না সেটাও তাদের পছন্দমতো ব্যাক্তিদের দিতে হয়। তা না হলে আমার উপর অনেক রাজনীতিক চাপ আসে। তবে সামপ্রতি ইত্তেফাক পত্রিকার নামকেটে দেয়ার বিষয়টি নিয়ে বিএনপির নেতা আমার সাথে যে আচারণ করেছে তা খুবই দুঃখ জনক।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমি কুড়িগ্রাম ছিলাম আজকে আসছি এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তবে বিষয়টি শুনবো।
Leave a Reply