1. atik@kurigramsongbad.com : atik :
  2. editor1@kurigramsongbad.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
  3. sifat@kurigramsongbad.com : sifat :
  4. siteaccess@pixelsuggest.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
সাম্প্রতিক :
ভূরুঙ্গামারীতে ঔষধ আইন পরিপালন ও অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ে সচেতনতামূলক সভা ভূরুঙ্গামারীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকসেবীর এক মাসের কারাদণ্ড ভূরুঙ্গামারীতে মাদকবিরোধী মানববন্ধন, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ভূরুঙ্গামারীতে প্রথম হাসি প্রজেক্টের ক্যপাসিটি বিল্ডিং ওয়ার্কশপ ভূরুঙ্গামারীতে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ, পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতার বার্তা ভূরুঙ্গামারীতে মাদক প্রতিরোধে মানববন্ধন ভূরুঙ্গামারীতে ১৭৪০ মিটার অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করে ধ্বংস করল প্রশাসন ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশ-বিজিবির যৌথ অভিযানে গাঁজার গাছ সহ মাদককারবারি আটক জরায়ুমুখ ক্যান্সার স্ক্রিনিংয়ে কুড়িগ্রামে সেরা নাগেশ্বরী, সম্মাননা পেলেন নার্স নাজমা দুধকুমার নদে সাঁড়াশি অভিযান, জব্দ ২ হাজার ৫০০ মিটার চায়না জাল

বাল্যবিয়ে থেকে মুক্তি: পড়ালেখায় নতুন করে পথচলা সান্তনার

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৩০০ বার পড়া হয়েছে

নুর উয জামান,নাগেশ্বরী প্রতিনিধিঃ

নাগেশ্বরীতে নিজের বাল্যবিয়ে ভেঙ্গে ফের পড়ালেখায় নিয়মিত হয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে হতদরিদ্র পরিবারের শারমিন আক্তার সান্তনা। শিক্ষা সমাপ্ত করে নিজের যোগ্যতায় সে হতে চায় পুলিশ অফিসার।

মহামারী করোনার পর যখন সম্পুর্ন পৃথিবী বিধ্বস্ত ঠিক সে সময় ইংরেজি বছর ২০২২ এ পৌরসভার হাজীপাড়ার শামছুলের মেয়ে সান্তনার জীবনেও নেমে আসে দুর্যোগ। তার অনিচ্ছায়, অজ্ঞাতে পরিবার বাল্যবিয়ে দেয়। কাবিননামায় তার স্বাক্ষরটিও দিয়ে দেয় অন্য কেউ। কিছুদিন তা গোপন রেখে তাকে শশুরবাড়ীতে পাঠানোর চাপ দেয় পরিবার। এতে সে অসম্মতি, অপরাগতা জানায়। বাধ্য হয়েই বিয়ে ভেঙ্গে দেয় পরিবার। এরপর তাকে সইতে হয় অপমান, বঞ্চনা, লাঞ্চনা। বন্ধ হয়ে যায় পড়ালেখা। অনেকটা গৃহবন্দী হয়ে তাকে জীবন কাটাতে হয়। ঠিক এ সময় তার অন্ধকার ও হতাশাগ্রস্থ জীবনে আলোর সন্ধান দেয় মহিদেব যুব সমাজ কল্যান সমিতি। ঐ বছরে কোন একদিন হতদরিদ্র পরিবার বাছাইয়ে তাদের গ্রামে একটি উঠোন বৈঠক দেয় বেসরকারী ঐ এনজিও। এ তালিকায় তারা অন্তর্ভুক্ত করে শামছুলের পরিবারকে। সান্তনার বিপ্লবী, দৃঢচেতা, সংগ্রামী মানসিকতা তাদের মুগ্ধ করে। পরিবারের সাথে কথা বলে তাদের উদ্যোগে তারা সান্তনাকে হস্তশিল্পের একটি প্রশিক্ষনে পাঠায়। সেখানে প্রশিক্ষন নিয়ে সান্তনা এখন স্বাবলম্বী।

সান্তনা জানায়, হস্তশিল্পে এখন তার মাসিক উপার্জন ৫-৬ হাজার টাকা। যা দিয়ে পড়ালেখার খরচ চালায়, পরিবারকেও সহায়তা করে। শিক্ষা সমাপ্ত করে সে বড় পুলিশ অফিসার হতে চায়।
নিজের ভুল বুঝতে পেরে অনুতপ্ত তার বাবা শামছুল হক। এখন তিনিও তার মেয়ের সাফল্য দেখতে চান।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো খবর


Kurigram Songbad © 2025. All Rights Reserved.
Built with care by Pixel Suggest
error: Content is protected !!