এফ কে আশিক, ভূরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম:
কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীতে প্রথম হাসি প্রজেক্টের ক্যপাসিটি বিল্ডিং ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রকল্পটির কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) উপজেলা পরিষদ হল রুমে ডোনেট ফর ভুরুঙ্গামারী যুব ফাউন্ডেশনের আয়োজনে, ডিজিটাল ডেমোক্রেসি ইনিশিয়েটিভ (ডিডিআই) সাউথ এশিয়া ও একাউন্টেবিলিটি ল্যাব সহযোগিতায় এ ওয়ার্কশপের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে ডোনেট ফর ভূরুঙ্গামারী যুব ফাউন্ডেশনের সভাপতি আশিকুর রহমান আশিকের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সোনাহাট ডিগ্রী কলেজ অধ্যক্ষ বাবুল আক্তার, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ময়দান আলী, বলদিয়া ডিগ্রী কলেজ প্রভাষক মাইদুল ইসলাম মুকুল, উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি এ এস খোকন, ভূরুঙ্গামারী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জোহা সুজন, প্রথম হাসি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক চামেলী আক্তার।
ডোনেট ফর ভূরুঙ্গামারী যুব ফাউন্ডেশনের সদস্য আবু তাহেরের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক এফ কে আশিক, ডোনেট ফর ভূরুঙ্গামারী যুব ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা আশরাফুন্নাহার জবা, প্রথম হাসি প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর সেলিম হোসেন।
প্রকল্প পরিচালক চামেলী আক্তার জানান, প্রথম হাসি প্রকল্পটি স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে গ্রামের তরুণ তরুণীদের একটি ডিজিটাল উদ্যোগ। প্রান্তিক পর্যায়ে বসবাসকারী সাধারণ মানুষরা সঠিকভাবে ইপিআই টিকাগুলো পাচ্ছে কিনা এবং পেলেও সেগুলো পাওয়াতে কি ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে সেগুলো মোবাইল অ্যাপে অন্তর্ভুক্ত করে সেই তথ্যগুলো উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ এবং প্রশাসনের কাছে সমাধানের জন্য হস্তান্তর করা। যার মাধ্যমে প্রান্তিক পর্যায়ের সমস্যাগুলোকে আমরা আইডেন্টিফাই করে সেগুলো সবাই মিলে সমাধানের উদ্যোগ নিতে পারবো।
উল্লেখ্য, প্রকল্পটি ৩ মাসের এবং মাঠপর্যায়ে কাজ চলবে ২০ দিন। অর্থাৎ ফিল্ড ভলান্টিয়াররা এই ২০ দিনে ৫০০ এর অধিক তথ্য সরবরাহ করবে। এখানে মেয়ে আছে ২৫ জন, ছেলে ২৩ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ২ জন।
Leave a Reply