1. atik@kurigramsongbad.com : atik :
  2. editor1@kurigramsongbad.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
  3. sifat@kurigramsongbad.com : sifat :
  4. siteaccess@pixelsuggest.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
সাম্প্রতিক :
প্রেমের বিয়ের পর প্রতারণার অভিযোগ, ন্যায়বিচার চাইলেন টাঙ্গাইলের যুবক ভূরুঙ্গামারীতে দুধকুমার নদের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা কুড়িগ্রামে যমজ তিন বোনের অনন্য সাফল্য, একসঙ্গে পেল ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি জলাবদ্ধতায় অচল চরনেওয়াজী দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ, দুর্ভোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা জাল নোট দিয়ে ভারতীয় সীমান্ত থেকে মাদক কেনার চেষ্টা, আটক ১ ভূরুঙ্গামারীতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন ভ্যানের সিটের নিচে ১৪ কেজি ভারতীয় গাঁজা, আটক ২ গভীর রাতে পুলিশ পরিচয়ে ফোন, গ্রেফতারের ভয় দেখিয়ে ৩০ হাজার টাকা দাবি শূন্যরেখায় ১৭ দিন অবস্থানের পর রাতের অন্ধকারে উধাও তিন তরুণ ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বঞ্চিত তিন বাহিনীর ১৫০ কর্মকর্তাকে পুনর্বাসন ও বিশেষ সুবিধা প্রদান

প্রেমের বিয়ের পর প্রতারণার অভিযোগ, ন্যায়বিচার চাইলেন টাঙ্গাইলের যুবক

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬
  • ৪১ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রাম সংবাদ ডেস্ক:

প্রেমের সম্পর্কের পর বিয়ে, এরপর ১২ লাখ টাকা লেনদেন, চেক ডিজঅনার, দাম্পত্য বিচ্ছেদ এবং একাধিক আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে ন্যায়বিচার চেয়ে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেছেন টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার বিন্দুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. নূর আলম মিয়া (২৫)। তিনি বর্তমানে সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগে অধ্যয়নরত।

সাংবাদিকদের কাছে দেওয়া মৌখিক অভিযোগে নূর আলম মিয়া বলেন, টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার বাসাইল উত্তরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. শামসুল মিয়ার মেয়ে সাদিয়া আক্তারের (২১) সঙ্গে দীর্ঘদিনের পারস্পরিক ভালোবাসার সম্পর্কের পর ২০২৫ সালের ১৯ মার্চ ইসলামি শরিয়াহ মোতাবেক তাদের বিয়ে হয়।

তিনি দাবি করেন, বিয়ের পর তিনি জানতে পারেন যে, বিয়ের আগে তার স্ত্রী একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, স্ত্রী তাকে অতীতের কিছু ব্যক্তিগত ঘটনার কথাও জানান। তিনি অভিযোগ করেন, স্ত্রী পূর্বে ‘তাওহিদ’ নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন এবং এক পর্যায়ে পরিবারের সদস্যদের চায়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে খাইয়ে ওই ব্যক্তির সঙ্গে সারারাত বাইরে অবস্থান করেছিলেন। এ বিষয়ে তার কাছে বিভিন্ন ধরনের প্রমাণ রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। বিষয়টি নিয়ে স্ত্রীকে প্রশ্ন করলে তিনি তা স্বীকার করেছিলেন বলেও অভিযোগকারীর দাবি। তবে এসব ঘটনা জানার পরও অতীতের বিষয় বিবেচনায় না এনে তিনি সংসার টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেন এবং স্ত্রীকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সংযত থাকতে উৎসাহিত করেন।

নূর আলম মিয়ার অভিযোগ, দাম্পত্য জীবনের কয়েক মাস পর তার স্ত্রী গর্ভবতী হন। পরে স্ত্রীর অনুরোধে তাকে বাবার বাড়িতে রেখে আসা হয়। সেখানে অবস্থানকালে তাকে কিছু না জানিয়েই গর্ভের সন্তান নষ্ট করা হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন বলেও জানান।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, পরে স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে শ্বশুরবাড়িতে গেলে তার মোবাইল ফোনে ‘তাওহিদ’ নামের ওই ব্যক্তির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের তথ্য দেখতে পান। বিষয়টি শ্বশুরকে জানানো হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন। এরপর উভয় পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে একাধিকবার সমঝোতার চেষ্টা হলেও তা সফল হয়নি বলে জানান তিনি।

অভিযোগকারী বলেন, ২০২৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইল শহরে তার নামে জমি কিনে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তার কাছ থেকে ১২ লাখ টাকা নেওয়া হয়। ওই টাকার নিরাপত্তা হিসেবে তাকে অগ্রণী ব্যাংকের একটি স্বাক্ষরিত চেক দেওয়া হয়েছিল।

তার দাবি, এর কিছুদিন পর তার স্ত্রী বাবার বাড়িতে চলে যান এবং আর সংসারে ফিরে আসেননি। পরে ২০২৬ সালের ৩০ মার্চ তিনি তালাকের নোটিশ পাঠান। যদিও পরবর্তীতে ব্যক্তিগতভাবে সংসার করার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন, তবে পারিবারিক কারণে তা সম্ভব নয় বলে জানানো হয় বলে অভিযোগ করেন নূর আলম।

দাম্পত্য সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে তিনি ২০২৬ সালের ২৭ এপ্রিল টাঙ্গাইল জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে একটি মামলা করেন, যা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। এছাড়া ১৮ জুন তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির (CrPC) ১০০ ধারায় আদালতে আরেকটি আবেদন করেন। তার দাবি, ওই মামলায় ১৪ জুলাই আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে তার স্ত্রী স্বামীর সঙ্গে আর সংসার করবেন না বলে জানিয়েছেন।

এদিকে, ২০২৬ সালের ৫ জুলাই তিনি নিরাপত্তা হিসেবে পাওয়া চেকটি ব্যাংকে জমা দিলে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় সেটি ডিজঅনার হয়। পরদিন ৬ জুলাই আইনজীবীর মাধ্যমে Negotiable Instruments Act, 1881 অনুযায়ী মামলা দায়েরের পূর্বশর্ত হিসেবে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশে ৩০ দিনের মধ্যে ১২ লাখ টাকা পরিশোধের দাবি জানানো হয়েছে বলে তিনি জানান।

নূর আলম মিয়ার অভিযোগ, বর্তমানে তার স্ত্রী তাকে জানিয়ে দিয়েছেন যে, তিনি আর সংসার করবেন না এবং নেওয়া টাকা ফেরতও দেবেন না। এছাড়া টাকা ফেরত চাইলে তার বিরুদ্ধে যৌতুক, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ বিভিন্ন ধরনের মামলা করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।

তিনি বলেন, “আমার অভিযোগের পক্ষে ব্যাংকের চেক, চেক ডিজঅনার মেমো, আইনি নোটিশ, আদালতের নথিপত্র, মোবাইল ফোনের কথোপকথন, মেসেজ, কল রেকর্ডিংসহ বিভিন্ন নথি ও তথ্য-প্রমাণ রয়েছে। আমি আইন ও বিচার বিভাগের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল। আমার একমাত্র প্রত্যাশা, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে আমাকে ন্যায়বিচার দেওয়া হোক।”

এ বিষয়ে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত স্ত্রী সাদিয়া আক্তার এবং তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের ব্যবহৃত নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়। এছাড়া অভিযোগে উল্লেখ করা ‘তাওহিদ’ নামের ব্যক্তির সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো খবর


Kurigram Songbad © 2025. All Rights Reserved.
Built with care by Pixel Suggest
error: Content is protected !!