1. atik@kurigramsongbad.com : atik :
  2. editor1@kurigramsongbad.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
  3. sifat@kurigramsongbad.com : sifat :
  4. siteaccess@pixelsuggest.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
সাম্প্রতিক :
ভূরুঙ্গামারীতে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও মোটিভেশনাল সেমিনার ভূরুঙ্গামারীতে ঔষধ আইন পরিপালন ও অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ে সচেতনতামূলক সভা ভূরুঙ্গামারীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকসেবীর এক মাসের কারাদণ্ড ভূরুঙ্গামারীতে মাদকবিরোধী মানববন্ধন, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ভূরুঙ্গামারীতে প্রথম হাসি প্রজেক্টের ক্যপাসিটি বিল্ডিং ওয়ার্কশপ ভূরুঙ্গামারীতে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ, পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতার বার্তা ভূরুঙ্গামারীতে মাদক প্রতিরোধে মানববন্ধন ভূরুঙ্গামারীতে ১৭৪০ মিটার অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করে ধ্বংস করল প্রশাসন ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশ-বিজিবির যৌথ অভিযানে গাঁজার গাছ সহ মাদককারবারি আটক জরায়ুমুখ ক্যান্সার স্ক্রিনিংয়ে কুড়িগ্রামে সেরা নাগেশ্বরী, সম্মাননা পেলেন নার্স নাজমা

গুলির দাগ বুকে নিয়ে আজ রাজিবপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার সোলায়মান সরকার

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৫
  • ৮৮৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি :

কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক (কমান্ডার) হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মুক্তিযুদ্ধের সাহসী সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সোলায়মান সরকার। তাঁর জন্ম রাজিবপুর উপজেলার মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত গ্রাম শংকর মাধবপুরে।

মুক্তিযুদ্ধে যোগদান:

১৯৭১ সালে তিনি ১১ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন। রৌমারিতে ট্রেনিং শেষ করার পর শারীরিক গঠন ও কৌশলগত দক্ষতার কারণে তাঁকে হেভি মেশিনগান চালানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়।

১৩ আগস্ট তারাবর যুদ্ধে তিনি সরাসরি পাক সেনাদের বিরুদ্ধে সম্মুখ সমরে অংশ নেন। তার অসীম সাহসিকতা ও অন্য মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পাক বাহিনীর গানবোট ও লঞ্চ ধবংস হয়ে যায়। সেই যুদ্ধে বিচক্ষণতার সঙ্গে তিনি হেভি মেশিনগান পরিচালনা করেন এবং অন্য যোদ্ধাদের রকেট লঞ্চার ব্যবহারে পাক সেনারা দিশেহারা হয়ে চিলমারী ও কোদালকাটিতে পালিয়ে যায়।

একের পর এক জয়:

পরবর্তীতে শংকর মাধবপুর সাজাই এলাকায় আরেকটি সম্মুখ সমরে মুক্তিযোদ্ধারা অসংখ্য পাক সেনাকে নিধন করে এবং কোদালকাটি মুক্ত হয়। পরে মুক্তিযোদ্ধারা গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থানায় পাক সেনাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে বিজয়ী হন।

৭ ডিসেম্বর গাইবান্ধা মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতার পরিচয় দেন সোলায়মান সরকার। গাইবান্ধায় মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্প স্থাপনের পর গোবিন্দগঞ্জ কাটাখালী ব্রিজ ভেঙে দেওয়া হয়। এতে পাক বাহিনীর বগুড়া ও রংপুরের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।

বীরত্বের স্মারক:

এই সাহসী যোদ্ধার শরীরে আজও গুলির দাগ বয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি। তাঁর বীরত্বগাথা সংরক্ষিত আছে ময়মনসিংহ ক্যান্টনমেন্ট মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরে, যেখানে ঢুকলেই চোখে পড়ে তাঁর বীরত্বের স্মৃতি।

স্বাধীনতার পরের জীবন:

স্বাধীনতার পর সোলায়মান সরকার শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি মৎস্য অধিদপ্তরের ক্ষেত্র সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সমাজ ও ক্রীড়াঙ্গনেও তাঁর সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে। বিশেষ করে শংকর মাধবপুর ফুটবল টিমের সাফল্যের নেপথ্য কারিগর তিনি।

অভিভাবক হিসেবেও তিনি ছিলেন সফল। ছোট ভাইবোন ও সন্তানদের মানুষ করতে অসংখ্য কষ্ট সহ্য করেছেন।

সহযোদ্ধাদের জন্য অবদান:

মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার মধ্যে অন্যতম হলো বীর প্রতীক তারামন বিবিকে খেতাব প্রদানের জন্য নিরলস প্রচেষ্টা। এ কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তারই সহযোদ্ধা আব্দুস সবুর ফারুকী

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো খবর


Kurigram Songbad © 2025. All Rights Reserved.
Built with care by Pixel Suggest
error: Content is protected !!