কুড়িগ্রাম সংবাদ ডেস্ক:
২০০১ সালের ১৮ এপ্রিল কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার সীমান্তবর্তী বড়াইবাড়ি গ্রামে সংঘটিত হয়েছিল এক গৌরবময় অধ্যায়। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (BSF) অতর্কিত আগ্রাসনের মুখে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (তৎকালীন বিডিআর) এর সদস্যরা অকুতভয় সাহসিকতার সাথে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। দেশের মাটি রক্ষায় আত্মদান করেন তিন বীর সেনা—তাঁদের এই আত্মত্যাগ ইতিহাসে অমর হয়ে আছে।
এই দিনটি শুধু একটি তারিখ নয়, এটি আমাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রতীক, একটি অনন্য গৌরবের দিন। স্থানীয় জনগণ দীর্ঘদিন ধরে ১৮ এপ্রিলকে “বড়াইবাড়ি দিবস” হিসেবে জাতীয় স্বীকৃতির দাবি জানিয়ে আসছেন। এখন সময় এসেছে, এই গৌরবময় অধ্যায়কে জাতির ইতিহাসে যথাযথ সম্মান ও গুরুত্ব দিয়ে স্বীকৃতি দেওয়ার।
রৌমারী-রাজিবপুরের বহু মানুষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একত্রিত হয়ে আওয়াজ তুলছেন:
“এই ইতিহাস শুধু বড়াইবাড়ির নয়, এটি বাংলাদেশের গর্ব। আগামী প্রজন্ম যেন এই গৌরব জানতে পারে, শিখতে পারে—সেজন্যই চাই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি।”
স্থানীয়দের মতে, রাষ্ট্রীয়ভাবে “বড়াইবাড়ি দিবস” ঘোষণা করা হলে শুধু শহীদদের যথাযথ সম্মানই জানানো হবে না, বরং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যে আত্মত্যাগ হয়েছে, তা জাতীয় চেতনায় পরিণত হবে।
এলাকাবাসী ও তরুণ প্রজন্মের একটাই প্রত্যাশা বড়াইবাড়ি দিবস হোক জাতীয় দিবস, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় উদযাপিত হোক ১৮ এপ্রিল।
Leave a Reply