1. atik@kurigramsongbad.com : atik :
  2. editor1@kurigramsongbad.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
  3. sifat@kurigramsongbad.com : sifat :
  4. siteaccess@pixelsuggest.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
সাম্প্রতিক :
ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ভূরুঙ্গামারীতে জশনে জুলুস ভূরুঙ্গামারীতে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও মোটিভেশনাল সেমিনার ভূরুঙ্গামারীতে ঔষধ আইন পরিপালন ও অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ে সচেতনতামূলক সভা ভূরুঙ্গামারীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকসেবীর এক মাসের কারাদণ্ড ভূরুঙ্গামারীতে মাদকবিরোধী মানববন্ধন, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ভূরুঙ্গামারীতে প্রথম হাসি প্রজেক্টের ক্যপাসিটি বিল্ডিং ওয়ার্কশপ ভূরুঙ্গামারীতে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ, পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতার বার্তা ভূরুঙ্গামারীতে মাদক প্রতিরোধে মানববন্ধন ভূরুঙ্গামারীতে ১৭৪০ মিটার অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করে ধ্বংস করল প্রশাসন ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশ-বিজিবির যৌথ অভিযানে গাঁজার গাছ সহ মাদককারবারি আটক

কোথায় হারালো এক সময়ের আলোচিত ‘ব্ল্যাকবেরি’ ফোন?

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ২২৭ বার পড়া হয়েছে

প্রযুক্তি ডেস্ক:

অ্যানড্রয়েড স্মার্টফোনের রাজত্ব যখন শুরু হয়নি সেই সময়ে ফোনের দুনিয়ার একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল ব্ল্যাকবেরি ফোনের। অনেকেই নিজের পকেটে একটি ব্ল্যাকবেরি ফোন রাখার স্বপ্ন দেখতেন।

সেই সময় শুধুমাত্র দামি ফোনের তালিকাতেই জ্বলজ্বল করত ব্ল্যাকবেরি ফোনের নাম। আসলে আইফোনের আগে স্মার্টফোনের দুনিয়া রাজত্ব করত এই ফোনই। কিন্তু এক সময়ের সেই রাজাই যেন নিঃস্ব কপর্দকশূন্য হয়ে গেল।

প্রযুক্তি ইন্ডাস্ট্রির সবথেকে বড় পতনের সেই অধ্যায়ই শুনে নেওয়া যাক। ২০০০-এর গোড়ার দিকে স্মার্টফোনের দুনিয়ায় রীতিমতো আমূল পরিবর্তন এনেছিল ব্ল্যাকবেরি। ব্যবসায়ীরা মূলত এই ফোনের নিরাপদ ই-মেইল এবং কোয়ার্টি কি-বোর্ড বেশি পছন্দ করতেন।

black

কর্পোরেট দুনিয়ায় নিজের অনন্য ফিচারের জন্য জায়গা করে নিয়েছিল এই ফোন। এদিকে ২০০৯ সাল নাগাদ স্মার্টফোনের দুনিয়ায় রাজত্ব করতে শুরু করে  ব্ল্যাকবেরি।

বিশ্বের স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের মধ্যে ২০ শতাংশের বেশি মানুষ  ব্ল্যাকবেরি ফোন ব্যবহার করতেন। এক সময় ব্যবসায়ী এবং রাজনৈতিক নেতাদের যেন স্ট্যাটাস সিম্বল হয়ে উঠেছিল এই ফোন। এরপর ২০০৭ সালে বাজারে এল আইফোন। আর ২০০৮ সালে বাজারে পা রাখল অ্যানড্রয়েড ফোন। উভয় ফোনের ক্ষেত্রেই আকর্ষণীয় ফিচার হয়ে উঠল টাচস্ক্রিন। সেই সঙ্গে ছিল একগুচ্ছ অ্যাপও।

phn

যার ফলে মানুষ আইফোন এবং অ্যানড্রয়েড ফোনের দিকে ঝুঁকেছিলেন। কারণ এই ফোনগুলোর মধ্যে ছিল প্রচুর অ্যাপ। ফলে  ব্ল্যাকবেরি ফোনের কদর ধীরে ধীরে কমতে শুরু করল। আসলে আরও দ্রুত আর বারবার নতুন উদ্ভাবন নিয়ে আসা উচিত ছিল  ব্ল্যাকবেরির। কিন্তু  ব্ল্যাকবেরি নিজেদের কি-বোর্ড ডিজাইনেই আটকে ছিল।

সেখানে অন্যান্য ফোন নির্মাতা সংস্থাগুলো টাচস্ক্রিন এবং আরও ভালো অপারেটিং সিস্টেম আনার জন্য ক্রমাগত গবেষণা আর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে গিয়েছে। আর সেই কারণেই প্রথম স্থান বা শীর্ষ স্থান থেকে একেবারে পতন ঘটেছিল  ব্ল্যাকবেরি। ২০১৩ সালের মধ্যে  ব্ল্যাকবেরি বাজার ১ শতাংশেরও বেশি পড়ে গিয়েছিল।

black3

আইফোন এবং অ্যানড্রয়েডেরর মতো নতুন ফোনের সঙ্গে টক্কর দিয়ে বাজার ধরে রাখা  ব্ল্যাকবেরির পক্ষে একপ্রকার মুশকিল হয়ে পড়েছিল। কারণ মানুষের চাহিদাও বদলে গিয়েছিল। সব মিলিয়ে ভুগতে হয়েছিল  ব্ল্যাকবেরিকে।

যদিও নতুন ফোন এবং অ্যানড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে একটা কামব্যাক করারও চেষ্টা করেছিল  ব্ল্যাকবেরি। কিন্তু ততক্ষণে দেরি হয়ে গিয়েছিল। সমস্ত প্রচেষ্টা সত্ত্বেও  ব্ল্যাকবেরি কখনওই একরকম ছিল না। বাজারে নিজের জায়গা ধরে রাখার জন্যও প্রচুর লড়াই করতে হয়েছিল ওই সংস্থা।

এভাবেই ধীরে ধীরে স্মার্টফোনের বাজার থেকে নিজেকে সরিয়ে নেয়  ব্ল্যাকবেরি। বরং তারা সফটওয়্যার এবং পরিষেবার উপর মনোনিবেশ করে। কিন্তু  ব্ল্যাকবেরি ব্যর্থতা প্রযুক্তির ইতিহাসে একটা বড়সড় অধ্যায়। আসলে যুগের পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে না পারার দরুন একেবারে ধরাশায়ী হয়েছিল  ব্ল্যাকবেরি বাজার।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো খবর


Kurigram Songbad © 2025. All Rights Reserved.
Built with care by Pixel Suggest
error: Content is protected !!