1. atik@kurigramsongbad.com : atik :
  2. editor1@kurigramsongbad.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
  3. sifat@kurigramsongbad.com : sifat :
  4. siteaccess@pixelsuggest.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
সাম্প্রতিক :
নাগেশ্বরীর মেয়ে অনন্যা এবার নেপালে, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশের প্রতিনিধি ভূরুঙ্গামারীতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত ভূরুঙ্গামারীতে আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস পালিত রাজিবপুরে পরোয়ানাভুক্ত দুই আসামি গ্রেপ্তার রাজিবপুরে গরু চুরির চেষ্টায় ছাত্রদল নেতা আটক, পরে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ভূরুঙ্গামারী সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরলেন এক নারী সহ তিন বাংলাদেশী কুড়িগ্রামে এগিয়ে চলছে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি; বাড়ছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও মনোযোগ ভূরুঙ্গামারীতে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় ছয়জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ ভূরুঙ্গামারীতে ফার্মেসি ব্যবসায়ীদের নিয়ে সচেতনতামূলক সভা চরমোনাই পীরের উপস্থিতিতে ভূরুঙ্গামারী ইসলামী আন্দোলনের নতুন কমিটি

কুড়িগ্রামে বন্যার পানি একটু কমলেও কমেনি দূর্ভোগ

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১০ জুলাই, ২০২৪
  • ১৬২ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক:

বেশ কিছু দিন থেকেই বন্যায় নিমজ্জিত কুড়িগ্রাম। তবে গত সপ্তাহের চেয়ে  বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে, কমতে শুরু করেছে নদ-নদীর পানি। কিন্তু ব্রহ্মপুত্রের ৩টি পয়েন্টে ও দুধকুমরের পানি ১টি পয়েন্টে বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে বিপদসীমার ৩৪ সেন্টিমিটার, হাতিয়া পয়েন্টে ২৩ সেন্টিমিটার ও নুনখাওয়া পয়েন্টে ২২ সেন্টিমিটার বিপদসীমার উপর দিয়ে হচ্ছে। অপরদিকে দুধকুমরের পানি পাটেশ্বরী পয়েন্টে বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যান্য নদ-নদীর পানি হ্রাস পেয়ে বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এদিকে, বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও বসতবাড়ী ও রাস্তাঘাট থেকে পানি ধীর গতিতে নামতে থাকায় দুর্ভোগ কমেনি বানভাসীদের। দুর্গত এলাকায় খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও গো-খাদ্যের তীব্র সংকটে পড়েছে বানভাসীরা। বাড়ি-ঘর থেকে পানি না নামায় এখনও ঘরে ফিরতে পারেনি বন্যা কবলিত মানুষজন। বন্যার্তদের জন্য জেলা প্রশাসন থেকে ৫শ ৩২ মেট্টিক টন চাল, ২২ হাজার শুকনো খাবার প্যাকেট ও ৩২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হলেও তা পর্যাপ্ত নয় বলে জানিয়েছে জনপ্রতিনিধিরা।

এলাকাবাসীরা জানায়, বন্যার এমন পরিস্থিতিতে সাহায্য সহযোগিতাও তুলনামূলক কম। বানভাসীরা খেয়ে না খেয়ে নিজেদের জীবন রক্ষার্থে শুধু জীবিকার ঠাঁই খুঁজে ফিরছেন। 

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর জানান, আমার ইউনিয়নের ৮হাজার ৫শ পরিবারের মধ্যে ৬ হাজার পরিবারই বন্যা কবলিত। জেলা প্রশাসন থেকে এখন পর্যন্ত চাল ও চিড়া মিলে ১৫ টন বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। যা আমি দেড় হাজার পরিবারের মাঝে বিতরণ করেছি। বাকি পরিবারগুলোকে কোন ত্রাণ সহায়তা দিতে পারিনি।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো খবর


Kurigram Songbad © 2025. All Rights Reserved.
Built with care by Pixel Suggest
error: Content is protected !!