কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ে গাছপালা, ঘরবাড়ি ও বোরোধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) ভোর রাতে প্রবল ঝড়ো হাওয়ায় জেলার ৯টি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে বড় বড় গাছ উপড়ে পড়ে। বিশেষ করে চরাঞ্চলের বহু ঘরবাড়ি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, ঝড়ে অনেক বাড়ির টিনের চাল উড়ে গেছে এবং কিছু ঘর সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। আর্থিক সংকটের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো ঘর মেরামত নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের শিবরাম রাঙ্গাতিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা খোকন আলী (৫৬) বলেন, গতরাতের হঠাৎ তুফানে গাছ ভেঙে আমার টিনের চালের ওপর পড়ে। আমি গরিব মানুষ কী দিয়ে টিন কিনে ঘর ঠিক করব বুঝতে পারছি না।
একই ইউনিয়নের চর সারোডোব এলাকার ইসমাইল হোসেন (৫০) বলেন, রাতে হঠাৎ ঝড়-তুফানে আমার বাড়ির তিনটি ঘরের টিনের চাল ভেঙে গেছে। হাতে টাকা-পয়সা নেই কীভাবে ঘর ঠিক করব? পরিবার নিয়ে খুব কষ্টে আছি।”
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামার বাড়ি কুড়িগ্রামের উপপরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, মাঠকমীদের মাধ্যমে খোঁজ-খবর নেওয়া, হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে কৃষি প্রণদনা দেওয়া হবে।
রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, কালবৈশাখি ঝড়সহ মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টা পর পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।
এ বিষয়ে জেলা ত্রাণ ও পূর্ণবাসন কর্মকর্তা বেনজীর রহমান বলেন, গত রাতে কালবৈশাখি ঝড়ে জেলায় বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উপজেলাগুলোতে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে তালিকা করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা করা হবে।
Leave a Reply