1. atik@kurigramsongbad.com : atik :
  2. editor1@kurigramsongbad.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
  3. sifat@kurigramsongbad.com : sifat :
  4. siteaccess@pixelsuggest.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
সাম্প্রতিক :
ভূরুঙ্গামারীতে ঔষধ আইন পরিপালন ও অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ে সচেতনতামূলক সভা ভূরুঙ্গামারীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকসেবীর এক মাসের কারাদণ্ড ভূরুঙ্গামারীতে মাদকবিরোধী মানববন্ধন, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ভূরুঙ্গামারীতে প্রথম হাসি প্রজেক্টের ক্যপাসিটি বিল্ডিং ওয়ার্কশপ ভূরুঙ্গামারীতে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ, পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতার বার্তা ভূরুঙ্গামারীতে মাদক প্রতিরোধে মানববন্ধন ভূরুঙ্গামারীতে ১৭৪০ মিটার অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করে ধ্বংস করল প্রশাসন ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশ-বিজিবির যৌথ অভিযানে গাঁজার গাছ সহ মাদককারবারি আটক জরায়ুমুখ ক্যান্সার স্ক্রিনিংয়ে কুড়িগ্রামে সেরা নাগেশ্বরী, সম্মাননা পেলেন নার্স নাজমা দুধকুমার নদে সাঁড়াশি অভিযান, জব্দ ২ হাজার ৫০০ মিটার চায়না জাল

চিলমারীতে দারিদ্র্যমুক্ত সমবায়ের কোটি টাকার আত্মসাৎ, প্রতারিত সদস্যদের বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৯০ বার পড়া হয়েছে

মিজানুর রহমান মিজান, চিলমারী (কুড়িগ্রাম):

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে দারিদ্র্যমুক্ত বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী সদস্যরা।

শনিবার সকালে উপজেলার রমনা ইউনিয়নের জোড়গাছ নতুন বাজার এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

জানা গেছে, ২০০৭ সালের জুনে সমিতিটি প্রতিষ্ঠিত হয়ে একই বছরের শেষ দিকে উপজেলা সমবায় অফিস থেকে রেজিস্ট্রেশন লাভ করে। প্রথমে ক্ষুদ্রঋণের কার্যক্রমের আড়ালে সদস্য সংগ্রহ শুরু করলেও পরবর্তীতে উচ্চ মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় তিন হাজার সদস্যের কাছ থেকে তিন থেকে চার কোটি টাকা সংগ্রহ করে কর্তৃপক্ষ। পরবর্তীতে হঠাৎ কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়ে অফিস গুটিয়ে নেয় সমিতি। এরপর থেকে বারবার যোগাযোগ করেও সদস্যরা তাদের গচ্ছিত অর্থ ফেরত পাচ্ছেন না।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া রমনা ইউনিয়নের ছকিনা বেগম বলেন, “ভিক্ষা করে আর মাটি কেটে কষ্টের সাড়ে ছয় লাখ টাকা সমিতিতে জমা দিয়েছিলাম। এখন সেই টাকাটাই ফেরত পাচ্ছি না। আমি পাগল হয়ে যাচ্ছি।”

খড়খড়িয়া এলাকার রিপন মিয়া জানান, তিনি জমা দিয়েছেন ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা। থানাহাট সবুজপাড়ার জয়ন্ত রায় জমা দেন ১ লাখ ২২ হাজার টাকা, সরকারপাড়ার এরশাদুল হক ৮০ হাজার, জোড়গাছ সাতঘড়িপাড়ার সুফিয়া দৌলা ১ লাখ ২৮ হাজার, জেলেখা বেওয়া ১ লাখ ৪৮ হাজার, কসভান বেওয়া ৬০ হাজার এবং মিম আক্তার ৩৬ হাজার ৫০০ টাকা।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এভাবে প্রায় তিন হাজার সদস্যের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে সমিতিটি।

সমিতির সাধারণ সম্পাদক নুর আলম বলেন, “পরিচালক আনিসুর রহমান আনিস ও মিল্টনসহ ১৭ জন কর্মচারী কাগজপত্র নিজেদের কাছে রেখে গেছেন। তাই সঠিক হিসাব দেওয়া যাচ্ছে না। তবে ৯৫ লাখ টাকা পরিশোধের জন্য সাতটি দলিলমূল্যে জমি হস্তান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে গ্রাহকদের পাওনা পরিশোধ করার মতো অর্থ সমিতির কাছে নেই।”

পরিচালক (ঋণ) আনিসুর রহমান আনিসের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো খবর


Kurigram Songbad © 2025. All Rights Reserved.
Built with care by Pixel Suggest
error: Content is protected !!