1. atik@kurigramsongbad.com : atik :
  2. editor1@kurigramsongbad.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
  3. sifat@kurigramsongbad.com : sifat :
  4. siteaccess@pixelsuggest.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
সাম্প্রতিক :
ভূরুঙ্গামারীতে ঔষধ আইন পরিপালন ও অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ে সচেতনতামূলক সভা ভূরুঙ্গামারীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকসেবীর এক মাসের কারাদণ্ড ভূরুঙ্গামারীতে মাদকবিরোধী মানববন্ধন, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ভূরুঙ্গামারীতে প্রথম হাসি প্রজেক্টের ক্যপাসিটি বিল্ডিং ওয়ার্কশপ ভূরুঙ্গামারীতে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ, পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতার বার্তা ভূরুঙ্গামারীতে মাদক প্রতিরোধে মানববন্ধন ভূরুঙ্গামারীতে ১৭৪০ মিটার অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করে ধ্বংস করল প্রশাসন ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশ-বিজিবির যৌথ অভিযানে গাঁজার গাছ সহ মাদককারবারি আটক জরায়ুমুখ ক্যান্সার স্ক্রিনিংয়ে কুড়িগ্রামে সেরা নাগেশ্বরী, সম্মাননা পেলেন নার্স নাজমা দুধকুমার নদে সাঁড়াশি অভিযান, জব্দ ২ হাজার ৫০০ মিটার চায়না জাল

ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে বিলীন রাজিবপুরের স্কুল: স্কুলের শিক্ষকদের অফিস এখন স্যান্ডেলের দোকানে

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৫০৫ বার পড়া হয়েছে

রাজিবপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:

ব্রহ্মপুত্র নদীর ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার চরাইহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। প্রায় ১৮ মাস আগে বিদ্যালয়টি সম্পূর্ণ নদীগর্ভে চলে যাওয়ার পর থেকে স্থানীয় এক চিকিৎসকের উঠানে অস্থায়ীভাবে তৈরি একটি টিনের চালাঘরে চলছে পাঠদান।

এই ঘরেই চলছে একসঙ্গে ৬ শ্রেণির ক্লাস। নেই দরজা-জানালা, টেবিল-চেয়ার কিংবা পাঠ্য উপকরণ রাখার ব্যবস্থা। অথচ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১২০ জন। ফলে রোদ, বৃষ্টি ও গরমে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে তারা।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান জানান, এক ঘরে সব শ্রেণির ক্লাস চালাতে হয়। কোনো শ্রেণির ক্লাস চলাকালে অন্য শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। অফিস কক্ষ না থাকায় শিক্ষকরা আশ্রয় নেন পাশের এক স্যান্ডেলের দোকানে। দোকানদার আব্দুল মান্নান স্বপন বলেন, “বৃষ্টিতে স্যাররা বাইরে ভিজে দাঁড়িয়ে থাকতেন, তাই কষ্ট দেখে আমার দোকানে বসতে দিয়েছি।”

পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাদিয়া, আরিফা ও ওমর আলী জানায়, ঠিকমতো পড়াশোনা করা যায় না। বৃষ্টি এলে ভিজে যেতে হয়, গরমে ফ্যান নেই, খেলার মাঠও নেই। অভিভাবকরা বলেন, অন্য বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বৃত্তির আশা করতে পারে, কিন্তু তাদের সন্তানরা পড়াশোনার সুযোগই পায় না।

রাজিবপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন জানান, জমি না থাকায় নতুন ভবন নির্মাণ সম্ভব হয়নি। কেউ জমি দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে এলাহী বলেন, বিষয়টি জেলা প্রশাসক ও প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে, তবে এখনো কোনো সহায়তা পাওয়া যায়নি।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো খবর


Kurigram Songbad © 2025. All Rights Reserved.
Built with care by Pixel Suggest
error: Content is protected !!