1. atik@kurigramsongbad.com : atik :
  2. editor1@kurigramsongbad.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
  3. sifat@kurigramsongbad.com : sifat :
  4. siteaccess@pixelsuggest.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
সাম্প্রতিক :
ভূরুঙ্গামারীতে ঔষধ আইন পরিপালন ও অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ে সচেতনতামূলক সভা ভূরুঙ্গামারীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকসেবীর এক মাসের কারাদণ্ড ভূরুঙ্গামারীতে মাদকবিরোধী মানববন্ধন, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ভূরুঙ্গামারীতে প্রথম হাসি প্রজেক্টের ক্যপাসিটি বিল্ডিং ওয়ার্কশপ ভূরুঙ্গামারীতে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ, পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতার বার্তা ভূরুঙ্গামারীতে মাদক প্রতিরোধে মানববন্ধন ভূরুঙ্গামারীতে ১৭৪০ মিটার অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করে ধ্বংস করল প্রশাসন ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশ-বিজিবির যৌথ অভিযানে গাঁজার গাছ সহ মাদককারবারি আটক জরায়ুমুখ ক্যান্সার স্ক্রিনিংয়ে কুড়িগ্রামে সেরা নাগেশ্বরী, সম্মাননা পেলেন নার্স নাজমা দুধকুমার নদে সাঁড়াশি অভিযান, জব্দ ২ হাজার ৫০০ মিটার চায়না জাল

কুড়িগ্রামে নদী ভাঙনের অজুহাতে আবাসন প্রকল্পের ঘর ভাঙচুর, ৩০ পরিবার খোলা আকাশের নিচে

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২৫০ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার অষ্টমীরচর ইউনিয়নের খোর্দ্দ বাঁশপাতা এলাকায় সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে নির্মিত দীঘলকান্দি আবাসন প্রকল্পের ৩০ পরিবার বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, গত ২৭ আগস্ট নদী ভাঙনের অজুহাত দেখিয়ে স্থানীয় মাইদুলের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি এসব পরিবারের ঘরের চালের টিন, দরজা-জানালা ও লোহার এঙ্গেলসহ মূল্যবান সামগ্রী সরিয়ে নিয়ে যায়।

৫৫ বছর বয়সি ফজল উদ্দীন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “ভাত খেতে বসেছিলাম, হঠাৎ একদল লোক ঘরে ঢুকে সবকিছু নিয়ে গেল। অনেক অনুরোধ করেও কিছুই শুনল না। এখন পরিবার নিয়ে খোলা জায়গায় থাকতে হচ্ছে।”

২০২০-২১ অর্থবছরে কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ আবাসন প্রকল্পে ২০টি ব্যারাকে মোট ১০০ পরিবার আশ্রয় পেয়েছিল। তবে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনে চলতি বছরের জুনে ৭টি ব্যারাকের ৩৫টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সে সময় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো কিছু মালপত্র সরিয়ে নেয় এবং প্রশাসন ঘটনাস্থলে গিয়ে অবশিষ্ট মালামাল স্থানীয় মাইদুলের হেফাজতে দেয় বলে স্থানীয় ইউপি সদস্য এসএম সেলিম মিয়া জানান।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, নদী ভাঙন বর্তমানে বন্ধ থাকা সত্ত্বেও আগস্টে আবারও ৬টি ব্যারাকের ৩০টি ঘরের মালপত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এমনকি অফিস খরচের নামে ক্ষতিগ্রস্তদের কাছ থেকেও টাকা আদায় করা হয়েছে।

অভিযুক্ত মাইদুল ইসলাম অবশ্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমার নেতৃত্বে কেউ ঘর ভাঙেনি। আমাকে জড়াতে একটি পক্ষ অপপ্রচার চালাচ্ছে।”

অভিযোগ-প্রতিবাদের মধ্যেই প্রকল্পের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এখন খোলা আকাশের নিচে অনিশ্চিত দিন কাটাচ্ছেন।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো খবর


Kurigram Songbad © 2025. All Rights Reserved.
Built with care by Pixel Suggest
error: Content is protected !!