1. atik@kurigramsongbad.com : atik :
  2. editor1@kurigramsongbad.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
  3. sifat@kurigramsongbad.com : sifat :
  4. siteaccess@pixelsuggest.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
সাম্প্রতিক :
ভূরুঙ্গামারীতে ঔষধ আইন পরিপালন ও অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ে সচেতনতামূলক সভা ভূরুঙ্গামারীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকসেবীর এক মাসের কারাদণ্ড ভূরুঙ্গামারীতে মাদকবিরোধী মানববন্ধন, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ভূরুঙ্গামারীতে প্রথম হাসি প্রজেক্টের ক্যপাসিটি বিল্ডিং ওয়ার্কশপ ভূরুঙ্গামারীতে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ, পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতার বার্তা ভূরুঙ্গামারীতে মাদক প্রতিরোধে মানববন্ধন ভূরুঙ্গামারীতে ১৭৪০ মিটার অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করে ধ্বংস করল প্রশাসন ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশ-বিজিবির যৌথ অভিযানে গাঁজার গাছ সহ মাদককারবারি আটক জরায়ুমুখ ক্যান্সার স্ক্রিনিংয়ে কুড়িগ্রামে সেরা নাগেশ্বরী, সম্মাননা পেলেন নার্স নাজমা দুধকুমার নদে সাঁড়াশি অভিযান, জব্দ ২ হাজার ৫০০ মিটার চায়না জাল

কুড়িগ্রামে লাইনচ্যুত রমনা লোকাল ট্রেন উদ্ধারে আসা রিলিফ ট্রেনও লাইনচ্যুত!

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ৩০১ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রাম-চিলমারী রেলপথে একদিনে দুটি ট্রেন লাইনচ্যুত হয়েছে। রবিবার (১৭ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে উলিপুর উপজেলার তবকপুর ইউনিয়নের রসূলপুর এলাকায় চিলমারীর বালাবাড়ি রেল স্টেশনের উত্তরে রমনা লোকাল ট্রেন লাইনচ্যুত হয়। এরপর বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে উলিপুরের পাঁচপীর রেল স্টেশন পার হওয়ার পর লালমনিরহাট থেকে ছেড়ে আসা উদ্ধারকারী ট্রেনটিও লাইনচ্যুত হয়।

রমনা লোকাল ট্রেনের পরিচালক রিয়াজুল ইসলাম জানান, পার্বতীপুর থেকে চিলমারীর উদ্দেশে ছেড়ে আসা ট্রেনটির গার্ড ব্রেক বগির চারটি চাকা লাইনের বাইরে চলে যায়। এ সময় ট্রেনের গতি ঘণ্টায় মাত্র ১২ কিলোমিটার থাকলেও দুর্ঘটনা ঘটে।

উদ্ধারকারী ট্রেনের পরিচালক আনোয়ার হোসেন বলেন, সাত বগির রিলিফ ট্রেনটি রমনা লোকাল ট্রেন উদ্ধারের জন্য রওনা হয়েছিল। কিন্তু পাঁচপীর ও উলিপুর স্টেশনের মাঝামাঝি স্থানে সেটিও লাইনচ্যুত হয়।

দুর্ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, রেললাইনের নিচে পাথর নেই। অনেক জায়গায় স্লিপার মাটির নিচে দেবে গেছে এবং ঘাসে ভরাট হয়ে আছে। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এ রেলপথ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

রেল বিভাগের সূত্রে জানা গেছে, পাঁচপীর থেকে রমনা পর্যন্ত রেলপথ সংস্কারে এক বছরেরও বেশি সময় আগে প্রায় ৩১ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নেওয়া হলেও লাইন, স্লিপার ও পাথর ফেলার কাজ হয়নি। শুধু আংশিক মাটি ভরাট ও কয়েকটি সেতু মেরামত করা হয়েছে।

লালমনিরহাট রেল বিভাগের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী (পিডব্লিউআই) বজলুর রহমান বলেন, “রেলপথ ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এ পথে ট্রেনের গতি ঘণ্টায় ১৫ কিলোমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপরও ট্রেন লাইনচ্যুত হয়েছে। তদন্তে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।”

এ বিষয়ে লালমনিরহাট বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক আবু হেনা মোস্তফা আলমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি সাড়া দেননি।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো খবর


Kurigram Songbad © 2025. All Rights Reserved.
Built with care by Pixel Suggest
error: Content is protected !!