নাগেশ্বরী প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে এক দশম শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে চেতনানাশক খাইয়ে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা চারজনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলার প্রধান আসামি রাব্বী মিয়াকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ২৩ জুলাই নাগেশ্বরীর রায়গঞ্জ ইউনিয়নের সাপখাওয়া এলাকার ওই ছাত্রীকে হস্ত ও কুটির শিল্প বাণিজ্য মেলায় ডেকে নেয় রাব্বী মিয়া, যিনি সম্পর্কের দিক থেকে ভুক্তভোগীর জ্যাঠাতো বোনের স্বামী। সেখানে কোমল পানীয়র সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে তাকে অচেতন করা হয় এবং পরে নিজ বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়।
পরদিন রাব্বী, জুলহাস এবং ইউপি সদস্য মোতালেব মিলে কিশোরীকে হাসেম বাজার এলাকার একটি বাড়িতে নিয়ে গিয়ে পুনরায় ধর্ষণ ও চেতনানাশক খাওয়ায়। এরপর জুলহাস কিশোরীকে রায়গঞ্জ বোর্ডের বাজারের পাশে শফি কন্ট্রাক্টরের আত্মীয়ের বাড়িতে নিয়ে যায়। অভিযোগ রয়েছে, সেখানে রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়।
৩ আগস্ট ভুক্তভোগীর বাবা নাগেশ্বরী থানায় একটি সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলা করেন। বিষয়টি জানার পরপরই পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং প্রধান আসামি রাব্বী মিয়াকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে।
নাগেশ্বরী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল করিম জানান, মামলার অন্য তিন আসামি জুলহাস মিয়া, ইউপি সদস্য মোতালেব মিয়া ও শফি কন্ট্রাক্টর পলাতক রয়েছেন। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
ভুক্তভোগীর বাবা জানান, ঘটনার পর তার মেয়ে প্রায় আট দিন বাকরুদ্ধ ছিল। পরে সুস্থ হয়ে বিস্তারিত জানালে তিনি আইনি পদক্ষেপ নেন। তিনি দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
Leave a Reply