1. atik@kurigramsongbad.com : atik :
  2. editor1@kurigramsongbad.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
  3. sifat@kurigramsongbad.com : sifat :
  4. siteaccess@pixelsuggest.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
সাম্প্রতিক :
ভূরুঙ্গামারীতে ঔষধ আইন পরিপালন ও অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ে সচেতনতামূলক সভা ভূরুঙ্গামারীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকসেবীর এক মাসের কারাদণ্ড ভূরুঙ্গামারীতে মাদকবিরোধী মানববন্ধন, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ভূরুঙ্গামারীতে প্রথম হাসি প্রজেক্টের ক্যপাসিটি বিল্ডিং ওয়ার্কশপ ভূরুঙ্গামারীতে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ, পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতার বার্তা ভূরুঙ্গামারীতে মাদক প্রতিরোধে মানববন্ধন ভূরুঙ্গামারীতে ১৭৪০ মিটার অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করে ধ্বংস করল প্রশাসন ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশ-বিজিবির যৌথ অভিযানে গাঁজার গাছ সহ মাদককারবারি আটক জরায়ুমুখ ক্যান্সার স্ক্রিনিংয়ে কুড়িগ্রামে সেরা নাগেশ্বরী, সম্মাননা পেলেন নার্স নাজমা দুধকুমার নদে সাঁড়াশি অভিযান, জব্দ ২ হাজার ৫০০ মিটার চায়না জাল

কুড়িগ্রামে কেজি দরে গরু-ছাগল বিক্রিতে ব্যতিক্রমী সাড়া, ঈদ ঘিরে জমজমাট পশুর বাজার

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৪ জুন, ২০২৫
  • ১৭২ বার পড়া হয়েছে

 

কুড়িগ্রাম নিউজ ডেস্ক:

কুরবানির ঈদকে সামনে রেখে কুড়িগ্রামের পশুর হাট ও খামারগুলোতে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। জেলার খামারগুলো এবার অভিনব পদ্ধতিতে কোরবানির গরু ও ছাগল কেজি দরে বিক্রি করছে, যা ভোক্তাদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে। প্রাকৃতিক উপায়ে লালন-পালনের ফলে এসব পশু দেখতেও সুস্থ-সবল ও নির্ভরযোগ্য।

জানা গেছে, স্থানীয় খামারিরা পশু মোটাতাজা করতে ব্যবহার করেছেন নিজস্ব উৎপাদিত ঘাস, খড়, ভুট্টা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক খাদ্য। কোনো ধরনের হরমোন বা কেমিক্যাল ছাড়াই দেশীয় পদ্ধতিতে পশুগুলো লালন-পালন করায় ক্রেতারা এসব খামারের ওপর আস্থা রাখছেন।

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কোরবানির ঈদ উপলক্ষে জেলার ৯টি উপজেলার ৫০০-রও বেশি খামারে প্রস্তুত রাখা হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার ৭৪২টি গরু এবং ১ লাখ ৫৫ হাজার খাসি ও ভেড়া। জেলার মোট পশু চাহিদা প্রায় ১ লাখ ৭২ হাজার। ফলে প্রায় ৫৭ হাজার পশু উদ্বৃত্ত থাকছে, যা দেশের অন্যান্য অঞ্চলে সরবরাহ করা হবে।

কুড়িগ্রাম সদরের ত্রিমোহনী এলাকার ‘অ্যাপোলো ইন্টিগ্রেটেড এগ্রো ফার্ম’-এ পুরোদমে চলছে গরু ও ছাগল বিক্রি। ফার্মের শ্রমিক নূর হোসেন জানান, আমাদের পশুগুলো সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাদ্যে লালন করা হয়েছে। আমরা লাইভ ওয়েটে কেজি দরে পশু বিক্রি করছি, যাতে ক্রেতারা প্রতারিত হওয়ার সুযোগ থাকে না।

এই ফার্ম থেকেই গাজীপুর থেকে এসেছিলেন ক্রেতা মতিয়ার রহমান। তিনি বলেন, খোলা বাজারে ভালো পশু খুঁজে পাওয়া কঠিন। এখানে ওজন করে পশু কেনার সুযোগ পেয়ে আমি সন্তুষ্ট।

ফার্মটির সহযোগী মালিক লতিফুর রহমান জানান,
আমাদের ফার্মে প্রায় ১০০টি গরু ও ১০০-র বেশি ছাগল রয়েছে। গরু প্রতি কেজি ৪৫০ টাকা এবং ছাগল প্রতি কেজি ৫৭০ টাকায় বিক্রি করছি। এতে ক্রেতারা খুবই সন্তুষ্ট।

জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলে ২৯টি পশুর হাট বসানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যাত্রাপুর, কাঁঠালবাড়ি, উলিপুর, দুর্গাপুরসহ জেলার নানা হাটে দিন দিন বাড়ছে ক্রেতার ভিড়। খামারিরাও শেষ মুহূর্তে তাদের পশু নিয়ে হাটে যাচ্ছেন বিক্রির জন্য।

এদিকে, এসব খামারে পশু পরিচর্যা, খাদ্য সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত হয়েছেন অনেক কর্মজীবী, ফলে তৈরি হয়েছে অস্থায়ী কর্মসংস্থান। ঈদের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে খামারিদের ব্যস্ততা।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান বলেন, পশুর খাদ্যের দাম কিছুটা বেড়েছে, তবে সেটি পরিস্থিতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। জেলার চাহিদা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত পশুগুলো দেশের অন্যান্য জেলায় সরবরাহ করা হবে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো খবর


Kurigram Songbad © 2025. All Rights Reserved.
Built with care by Pixel Suggest
error: Content is protected !!