1. atik@kurigramsongbad.com : atik :
  2. editor1@kurigramsongbad.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
  3. sifat@kurigramsongbad.com : sifat :
  4. siteaccess@pixelsuggest.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
সাম্প্রতিক :
এনসিপির ভূরুঙ্গামারী উপজেলা আহ্বায়ক কিরন, সদস্য সচিব আনিস ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ভূরুঙ্গামারীতে জশনে জুলুস ভূরুঙ্গামারীতে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও মোটিভেশনাল সেমিনার ভূরুঙ্গামারীতে ঔষধ আইন পরিপালন ও অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ে সচেতনতামূলক সভা ভূরুঙ্গামারীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকসেবীর এক মাসের কারাদণ্ড ভূরুঙ্গামারীতে মাদকবিরোধী মানববন্ধন, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ভূরুঙ্গামারীতে প্রথম হাসি প্রজেক্টের ক্যপাসিটি বিল্ডিং ওয়ার্কশপ ভূরুঙ্গামারীতে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ, পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতার বার্তা ভূরুঙ্গামারীতে মাদক প্রতিরোধে মানববন্ধন ভূরুঙ্গামারীতে ১৭৪০ মিটার অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করে ধ্বংস করল প্রশাসন

কুড়িগ্রামে নদীতে ভেসে আসা গাছের গুঁড়ি বিক্রি হচ্ছে ‘চন্দন কাঠ’ নামে

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৪৭ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলায় কালজানি নদীর সীমান্ত ঘেঁষা অংশ দিয়ে ভারত থেকে পানির স্রোতে ভেসে এসেছে হাজার হাজার গাছের গুঁড়ি। এসব কাঠের বেশিরভাগই বাকল ও শিকড়বিহীন এবং লালচে রঙের হওয়ায় স্থানীয় অনেকেই এগুলোকে চন্দন কাঠ হিসেবে ধারণা করছেন।

রোববার (৫ অক্টোবর) বিকেল থেকে ভুরুঙ্গামারীর শিলখুড়ি ইউনিয়নের ঢলডাঙা ও শালঝোড় এলাকায় এসব কাঠ নদীতে ভেসে আসে। পরদিন স্রোতের টানে কাঠগুলো দুধকুমার হয়ে ব্রহ্মপুত্র নদ পর্যন্ত পৌঁছে যায়। এতে ভুরুঙ্গামারী, নাগেশ্বরী, কুড়িগ্রাম সদর, উলিপুর ও চিলমারী উপজেলার শত শত মানুষ ভোর থেকেই নদীতে নেমে কাঠ সংগ্রহে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। কেউ নৌকা, কেউ ভেলা, আবার কেউ টিউবের ভরসায় কাঠ ধরতে শুরু করে। নদীপাড়ে গড়ে ওঠে অস্থায়ী কাঠের হাট।

নাগেশ্বরীর দামালগ্রাম এলাকায় দেখা গেছে, একেকটি কাঠ ২০ হাজার থেকে ৩৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রায়গঞ্জ ইউনিয়নে একটি বড় লালচে গুঁড়ির দাম ধরা হয়েছে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত। স্থানীয় আবদুল মোতালেব বলেন, “চারজন মিলে প্রায় ৫০ ফুটের একটি গাছ তুলেছি। দেখতে ঠিক চন্দনের মতো। দেড় লাখ টাকা চেয়েছি, এক লাখ ২০ হাজারে দিলে বিক্রি করবো।” কাঠ ব্যবসায়ী আজাদ হোসেন জানান, “একেকটা গুঁড়ি ১২ হাজার টাকায় কিনেছি। কেটে জ্বালানি কাঠ হিসেবে বিক্রি করবো।”

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাদিকুর রহমান বলেন, “এসব কাঠ আসল চন্দন নয়। দীর্ঘদিন পানিতে থাকায় কাঠের রঙ লালচে হয়েছে। শ্বেত বা রক্তচন্দনের কোনো নমুনা পাওয়া যায়নি।”

কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও উদ্ভিদবিদ মীর্জা মো. নাসির উদ্দিন বলেন, “কাঠে থাকা ট্যানিন ও ফেনলিক যৌগ পানিতে ভেজা অবস্থায় বাতাসের অক্সিজেনের সংস্পর্শে এসে জারিত হয়ে লালচে রঙ ধারণ করে। তাই দেখতে চন্দনের মতো হলেও এগুলো সাধারণ কাঠ। চন্দন কাঠে বিশেষ ঘ্রাণ থাকে, যা ঘষলে বোঝা যায়, কিন্তু এসব কাঠে কোনো গন্ধ নেই।”

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো খবর


Kurigram Songbad © 2025. All Rights Reserved.
Built with care by Pixel Suggest
error: Content is protected !!