1. atik@kurigramsongbad.com : atik :
  2. editor1@kurigramsongbad.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
  3. sifat@kurigramsongbad.com : sifat :
  4. siteaccess@pixelsuggest.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
সাম্প্রতিক :
ভূরুঙ্গামারীতে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও মোটিভেশনাল সেমিনার ভূরুঙ্গামারীতে ঔষধ আইন পরিপালন ও অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ে সচেতনতামূলক সভা ভূরুঙ্গামারীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকসেবীর এক মাসের কারাদণ্ড ভূরুঙ্গামারীতে মাদকবিরোধী মানববন্ধন, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ভূরুঙ্গামারীতে প্রথম হাসি প্রজেক্টের ক্যপাসিটি বিল্ডিং ওয়ার্কশপ ভূরুঙ্গামারীতে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ, পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতার বার্তা ভূরুঙ্গামারীতে মাদক প্রতিরোধে মানববন্ধন ভূরুঙ্গামারীতে ১৭৪০ মিটার অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করে ধ্বংস করল প্রশাসন ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশ-বিজিবির যৌথ অভিযানে গাঁজার গাছ সহ মাদককারবারি আটক জরায়ুমুখ ক্যান্সার স্ক্রিনিংয়ে কুড়িগ্রামে সেরা নাগেশ্বরী, সম্মাননা পেলেন নার্স নাজমা

এরিয়া বিল ফরোয়ার্ডে ঘুষ দাবির অভিযোগ রাজিবপুরের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৪৪৮ বার পড়া হয়েছে
ছবি: প্রধান শিক্ষক আনোয়ার

কুড়িগ্রাম সংবাদ ডেস্ক:

কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার শংকর মাধবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে। সমাজ বিজ্ঞান বিষয়ের সহকারী শিক্ষক শাহনাজ পারভীনের অভিযোগ, তার এরিয়া বিল ফরোয়ার্ড করার বিনিময়ে প্রধান শিক্ষক তিন মাসের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ দাবি করেছেন। এ নিয়ে বিদ্যালয়জুড়ে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

তবে প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “শাহনাজ পারভীনের মিথ্যা অভিযোগের কারণেই আমার তিন মাসের বেতন বন্ধ ছিল। সেই অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়ে তার স্বামী আমার সঙ্গে চুক্তি করেছেন। যেহেতু চুক্তি বাস্তবায়িত হয়নি, তাই ফাইল ফরোয়ার্ড করিনি। বিষয়টি উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তার মাধ্যমে নিষ্পত্তির চেষ্টা চলছে।”

২০০২ সালে শিক্ষকতা শুরু করা শাহনাজ পারভীন ২০১৯ সালে এমপিওভুক্ত হন। বিদ্যালয়ের পুরনো জনবল কাঠামো অনুযায়ী সমাজ বিজ্ঞানে তিনজন শিক্ষক নিয়োগ পান আলী আকবর, আব্দুল করিম ও শাহনাজ। তবে ২০১০ সালের নতুন কাঠামো কার্যকর হলে প্রতিটি বিষয়ে একজন করে শিক্ষক রাখার নিয়ম করা হয়। তখন বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি শাহনাজকে সমাজ বিজ্ঞান, আলী আকবরকে বাংলা এবং আব্দুল করিমকে ইংরেজি বিষয় দায়িত্ব দেয়।

কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, প্রধান শিক্ষক ভুয়া মিটিং দেখিয়ে পুনরায় আব্দুল করিমকে সমাজ বিজ্ঞানের শিক্ষক হিসেবে পদায়ন করেন। বিষয়টি আদালতে গেলে রায়ে শাহনাজকে বৈধ সমাজ বিজ্ঞান শিক্ষক হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে এমপিও অনুমোদনের জন্য উভয়কে সমাজ বিজ্ঞানের শিক্ষক দেখিয়ে বিল পাঠালে জেলা শিক্ষা অফিস বাতিল করে দেয়। একইসঙ্গে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের কারণে তার তিন মাসের বেতন স্থগিত রাখার নির্দেশ দেয় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।

শাহনাজ পারভীনের দাবি, এরিয়া বিল পাঠানোর জন্য একদফায় ২০ হাজার টাকা ঘুষও নিয়েছেন প্রধান শিক্ষক। এরপরও তার ফাইল পাঠানো হয়নি, বরং কেবল আব্দুল করিমের আবেদন অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে প্রধান শিক্ষক তিন মাসের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ ক্ষতিপূরণ হিসেবে চাইছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

প্রধান শিক্ষক এ বিষয়ে বলেন, “আমার এমপিও বন্ধ হওয়ার দায় আমার নয়, সভাপতির স্বাক্ষর না করার কারণেই এমন হয়েছে। পরে তিন মাসের বেতন ফেরত দেওয়ার জন্য ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে চুক্তি হয়।”

এ বিষয়ে রংপুর অঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক প্রফেসর মো. আমির আলী জানান, “এ ধরনের ঘটনা সম্পর্কে আমার জানা নেই। কোনোভাবেই প্রধান শিক্ষক শিক্ষকের কাছ থেকে টাকা চাইতে পারেন না। অভিযোগ পেলে তদন্ত করা হবে।”

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো খবর


Kurigram Songbad © 2025. All Rights Reserved.
Built with care by Pixel Suggest
error: Content is protected !!