1. atik@kurigramsongbad.com : atik :
  2. editor1@kurigramsongbad.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
  3. sifat@kurigramsongbad.com : sifat :
  4. siteaccess@pixelsuggest.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
সাম্প্রতিক :
ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ভূরুঙ্গামারীতে জশনে জুলুস ভূরুঙ্গামারীতে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও মোটিভেশনাল সেমিনার ভূরুঙ্গামারীতে ঔষধ আইন পরিপালন ও অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ে সচেতনতামূলক সভা ভূরুঙ্গামারীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকসেবীর এক মাসের কারাদণ্ড ভূরুঙ্গামারীতে মাদকবিরোধী মানববন্ধন, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ভূরুঙ্গামারীতে প্রথম হাসি প্রজেক্টের ক্যপাসিটি বিল্ডিং ওয়ার্কশপ ভূরুঙ্গামারীতে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ, পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতার বার্তা ভূরুঙ্গামারীতে মাদক প্রতিরোধে মানববন্ধন ভূরুঙ্গামারীতে ১৭৪০ মিটার অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করে ধ্বংস করল প্রশাসন ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশ-বিজিবির যৌথ অভিযানে গাঁজার গাছ সহ মাদককারবারি আটক

কুড়িগ্রামের চার হিমাগারে ৩৩ হাজার টন আলু অবিক্রীত, লোকসানে কৃষকরা

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২৮৮ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের চারটি হিমাগারে প্রায় ৩৩ হাজার মেট্রিক টন আলু অবিক্রীত অবস্থায় পড়ে আছে। সরকার হিমাগারের গেটে আলুর দাম কেজি প্রতি ২২ টাকা নির্ধারণ করলেও কৃষকরা পাচ্ছেন মাত্র ১২ থেকে ১৩ টাকা। এতে ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়ছেন কৃষকরা।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, চলতি মৌসুমে কুড়িগ্রামে ৭ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে। উৎপাদন হয়েছে প্রায় ৮ হাজার মেট্রিক টন। জেলার চারটি হিমাগারে সংরক্ষণ করা হয়েছে প্রায় ৫২ হাজার টন আলু। এর মধ্যে ৩৩ হাজার টন এখনও অবিক্রীত রয়ে গেছে।

কৃষকরা জানান, মৌসুমের শুরু থেকেই আলুর দাম আশানুরূপ না থাকায় তারা ক্ষতির মুখে পড়েছেন। দুই-তিন মাস পর নতুন আলু রোপণের মৌসুম শুরু হবে। এর আগেই হিমাগারে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ আলু বিক্রি করতে না পারলে তা খাওয়ার অনুপযোগী হয়ে পড়বে।

স্থানীয় চাষিরা অভিযোগ করে বলেন—

“এক বস্তা (৬০.০৫ কেজি) আলু উৎপাদনে বীজ, সার, কীটনাশক, জমির ভাড়া মিলিয়ে প্রায় দেড় হাজার টাকা খরচ হয়। এতে এক কেজি আলুর দাম দাঁড়ায় ২৬ থেকে ২৭ টাকা। অথচ হিমাগারে পাইকারি দরে বিক্রি করতে হচ্ছে ১২ থেকে ১২.৫০ টাকায়। প্রতি কেজিতে ১০ থেকে ১১ টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে।”

আলু ব্যবসায়ীরাও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,

“আলুর দাম বাড়লে সরকারি সংস্থাগুলো বাজার নিয়ন্ত্রণে নামে। কিন্তু দাম পড়ে গেলে ব্যবসায়ীদের কোনো খোঁজ নেয় না। হিমাগার থেকে ১২–১৩ টাকায় কিনে খুচরা বাজারে ১৪–১৫ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে।”

কুড়িগ্রামের বাবর কোল্ড স্টোরের ম্যানেজার শরিফ আল মাসুদ মণ্ডল জানান,

“এ হিমাগারে ১১ হাজার টন আলু রাখা হয়েছিল। এর মধ্যে মাত্র ৪ হাজার ১০০ টন বিক্রি হয়েছে। বাজারে চাহিদা কম থাকায় কৃষকরা হিমাগার থেকে আলু তুলতে আসছেন না।”

কুড়িগ্রাম জেলা মার্কেটিং অফিসার বীমা মনি শীল বলেন,

“প্রতি মাসে হিমাগারে আলুর বিক্রি ও মজুদ মনিটর করা হচ্ছে। কৃষকরা ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।”

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো খবর


Kurigram Songbad © 2025. All Rights Reserved.
Built with care by Pixel Suggest
error: Content is protected !!