রৌমারী প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের বকবান্ধা এলাকায় জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙন রোধে কমিউনিটির নেতৃত্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের লক্ষ্যে একটি নদী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩০ আগস্ট) সকালে বকবান্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আরডিআরএস বাংলাদেশ ট্রোসা-২ প্রকল্পের আয়োজনেই এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোছা: উম্মে হোসনে আরা। আলোচনায় অংশ নেন রৌমারী সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যাপিকা আনজুমান আরা, রৌমারী মহিলা কলেজের প্রভাষক আখতারুজ্জামান, রৌমারী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল ইসলাম রিজু, নদী সংগঠক মহীউদ্দিন মহির, শিক্ষক আক্কাস আলীসহ আরও অনেকে। উপস্থিত ছিলেন যাদুরচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সরবেশ আলী, ট্রোসা-২ প্রকল্প কর্মকর্তা খায়রন্নেসা সরকার, এবং ভাঙন ব্যবস্থাপনায় অগ্রণী ভূমিকা রাখা স্থানীয় প্রতিনিধি শাহানবী।
বৈঠকে কমিউনিটির নারী ও পুরুষ প্রতিনিধি নদীভাঙন মোকাবেলায় তাদের অভিজ্ঞতা ও অর্জিত শিক্ষা তুলে ধরেন। আলোচনার মাধ্যমে তারা আগামী দিনে নিজেদের উদ্যোগে নদী ব্যবস্থাপনায় কাজ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এছাড়া একটি নদী ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রজেক্ট অফিসার খায়রন্নেসা সরকার বলেন, “বিগত সময়ে আমরা বকবান্ধা কমিউনিটিকে নদী বৈঠকের মাধ্যমে একত্রিত করে ভাঙন ব্যবস্থাপনায় পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নে সহায়তা করেছি। বর্তমানে তাদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নদী কেন্দ্রিক নানা ইস্যুতে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।”
জানা গেছে, কমিউনিটির নেতৃত্বে ৬০০ মিটার এলাকায় ২৭টি বাঁশের বান্ডেল বসানো হয়েছে। বৈঠকে নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং টেকসই সমাধানের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। এর আগে স্থানীয়, উপজেলা প্রশাসন, ইউনিয়ন পরিষদ ও ট্রোসা-২ প্রকল্পের সহযোগিতায় বকবান্ধা এলাকায় বাঁশের বান্ডেল নির্মাণ করা হয়।
Leave a Reply