1. atik@kurigramsongbad.com : atik :
  2. editor1@kurigramsongbad.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
  3. sifat@kurigramsongbad.com : sifat :
  4. siteaccess@pixelsuggest.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
সাম্প্রতিক :
ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ভূরুঙ্গামারীতে জশনে জুলুস ভূরুঙ্গামারীতে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও মোটিভেশনাল সেমিনার ভূরুঙ্গামারীতে ঔষধ আইন পরিপালন ও অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ে সচেতনতামূলক সভা ভূরুঙ্গামারীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকসেবীর এক মাসের কারাদণ্ড ভূরুঙ্গামারীতে মাদকবিরোধী মানববন্ধন, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ভূরুঙ্গামারীতে প্রথম হাসি প্রজেক্টের ক্যপাসিটি বিল্ডিং ওয়ার্কশপ ভূরুঙ্গামারীতে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ, পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতার বার্তা ভূরুঙ্গামারীতে মাদক প্রতিরোধে মানববন্ধন ভূরুঙ্গামারীতে ১৭৪০ মিটার অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করে ধ্বংস করল প্রশাসন ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশ-বিজিবির যৌথ অভিযানে গাঁজার গাছ সহ মাদককারবারি আটক

ফুলবাড়ীতে ধসে পড়া কালভার্টে চলাচলে ভোগান্তি ১০ গ্রামের ২০ হাজার মানুষের

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৪ মে, ২০২৫
  • ২৬৪ বার পড়া হয়েছে

ফুলবাড়ী(কুড়িগ্রাম ) প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ফুলবাড়ীতে ধসে পড়া কালভার্টে চলাচলে ভোগান্তির শিকার হয়েছেন ১০ গ্ৰামের ২০ হাজার মানুষ। নির্মাণের এক মাসে এটি ধসে পড়ে। এরপর বিধ্বস্ত কালভার্টের ওপর স্থানীয় উদ্যোগে বাঁশের মাচা দিয়ে চলাচল করলেও সে মাচাও ভেঙে গিয়ে ফাঁদে পরিণত হয়েছে। ফলে যাতায়াতের সময় ঘটছে নানা দূর্ঘটনা। স্থানীয় প্রশাসন বলছে তারা কিছুই জানে না।উপজেলার সদর ইউনিয়নের কুটিচন্দ্রখানা গ্রামের নাওডাঙ্গা পুলেরপাড়-ফুলসাগর সংযোগ সড়কের আজিরজোল শশ্মান ঘাট এলাকায় এ কালভার্ট নির্মাণ করা হয়।

ফুলবাড়ী উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) জানায়, উপজেলা পরিষদের বার্ষিক উন্নয়ন প্রকল্পের (এডিপি) আওতায় ২০২১- ২২ অর্থ বছরে ব্যয়ে এ কালভার্টটি য়নির্মাণ করা হয়। তিন দশমিক পাঁচ মিটার দৈর্ঘ্য ও তিন মিটার প্রস্থের কালভার্ট নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় ২ লক্ষ ১০ হাজার (প্রাক্কলিত মূল্য) টাকা।

কালভার্টের নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করেন কুড়িগ্রাম সদরের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স অপু ট্রেডার্স। নির্মাণের এক মাস যেতে না যেতেই কালভার্টটি ধসে পড়ে।এতে বিপাকে পরে স্থানীয়রাসহ ১০ গ্ৰামের ২০ হাজার মানুষ। এ রাস্তার দক্ষিণে বজরেরখামার, চন্দ্রখানা,শাহবাজার, ভুতমারী, কুমারপাড়া,আগটারী ও জেলেপাড়া গ্ৰাম। এছাড়াও চন্দ্রখানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,শাহবাজার উচ্চ বিদ্যালয়,শিবের বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শাহবাজার সিনিয়র মাদ্রাসা রয়েছে।উওরে বিলুপ্ত ছিটমহল দাসিয়ারছড়ার হাবিবপুর,কালিরহাট, বটতলা,বাংলা তাড়ি এবং পানিমাছকুটি গ্ৰাম। এছাড়াও কালিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কামালপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, কামালপুর কমিউনিটি ক্লিনিক, উত্তরকুটি চন্দ্রখানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ফুলবাড়ী উপজেলা সদর। দুই দিকের পথচারী, লোকজন এবং শিক্ষক শিক্ষার্থীদের উপজেলা সদর হাট-বাজার এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ সড়ক হয়েই যেতে হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ , কালভার্ট নির্মাণের সময় নিম্নমানের রড, সিমেন্ট,বালু ও ইট ব্যবহার করে দায়সারাভাবে এটি নির্মাণ করা হয়। তদারকিতেও গাফিলতি ছিল।এছাড়াও খালের গভীররতা ও দৈর্ঘ্য অনুযায়ী নির্মাণ করা হয়নি। ফলে অল্পদিনেই ধসে পড়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

জেলেপাড়া গ্ৰামের, নুরু মিয়া বলেন, ‘কালভার্টটি ধসে যাওয়ায় দক্ষিণ জেলেপাড়া, দাসিয়ার ছড়া, কুমারপাড়া, ভাটিয়াটারি, হাবিবপুর , সেনপাড়ার লোকজনসহ এই সড়কে যাতায়াতকারী হাজার হাজার মানুষের চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখানে প্রথমে স্থানীয় উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো ছিল। ভাঙাচোরা সাঁকো দিয়ে যাতায়াতে কষ্ট ছিল। কালভার্ট নির্মাণ কাজ শুরুর সময় আমরা খুব আনন্দে ছিলাম। ভেবেছিলাম আমাদের যাতায়াতে ভোগান্তি থাকবেনা। কিন্তু কালভার্ট নির্মাণের কয়েক দিনের মাথায় ধসে পড়ে ।’

জেলেপাড়ার গ্ৰামের বিউটি বেগম ও জেলেখা বেগম বলেন, ‘ভাঙ্গা কালভার্টের উপর বাঁশের চরাট দিছে সেটাও ভেঙে গেছে। কোন যানবাহন চলাচল করে না।দুই বছর ধরে আমাদের চলাচলের কি যে কষ্ট। আমাদের কষ্ট দেখার কি কেউ নাই? ‘

সেনপাড়া গ্রামের মন্টু চন্দ্র বলেন ‘আমরা গ্রামবাসীরা এই সড়ক দিয়ে হাটবাজারে যাতায়ত করতাম। আমাদের ছেলে মেয়েরা স্কুল কলেজে যাতায়াত করতো।
কালভার্টের এমন দশার কারণে অন্য সড়ক দিয়ে অনেকটা পথ ঘুরে আমাদের যাতায়াত করতে হচ্ছে। দায়সারা কাজের কারণে কালভার্ট ভেঙে গেছে। এখন আর কোন যানবাহন চলাচল করতে পারেনা। আমাদের যাতায়াতের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’

স্থানীয়রা ভেঙ্গে পড়া কালভার্টের জঞ্জাল সরিয়ে ওই স্থানে আরেকটি মজবুত ও টেকসই সেতু বা কালভার্ট নির্মাণের দাবী জানিয়েছেন।

ফুলবাড়ী সদর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ বলেন, ‘ কালভার্টটি ধসে পড়ার পর স্থানীয়দের যাতায়াতের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। আমি ব্যক্তিগত উদ্যোগে ওখানে একটি বাঁশের চরাট করে দেই। সেটিও ভেঙ্গে গেছে। দ্রুত সময়ে আবার ওখানে বাঁশের চরাট করে দিব। পাশাপাশি নতুন করে সেতু বা কালভার্ট নির্মাণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করছি। কালভার্টটি ধসে পড়ার পর নির্মাণ কাজ তদারকির দায়িত্বে নিয়োজিত উপজেলা এলজিইডির তৎকালীন উপ-সহকারী প্রকৌশলী জাহিদ হাসানের সাথে এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, কালভার্টের নির্মাণ কাজে কোন গাফিলতি ছিল না। স্বল্প বরাদ্দে যেভাবে কালভার্ট নির্মাণের কথা ছিল ঠিকাদার সেভাবেই কালভার্ট নির্মাণ করেছেন। ভারী বৃষ্টি আর স্রোতের কারণে কালভার্টের দুপাশের মাটি সরে গিয়ে ধসে পড়ে।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী মামুনুর রশিদ বলেন, ‘আমি এই উপজেলায় কিছু দিন আগে এসেছি। ওই এলাকার কালভার্ট ধসে পড়া এবং স্থানীয়ের দুর্ভোগের বিষয়ে অবগত ছিলাম না। আপনার মাধ্যমেই জানতে পারলাম। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দ্রুত প্রয়োনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।’

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো খবর


Kurigram Songbad © 2025. All Rights Reserved.
Built with care by Pixel Suggest
error: Content is protected !!