কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ
সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক বাংলাদেশি ফেলানীকে হত্যা বিচারের দাবিতে মার্চ ফর ফেলানী করেছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও নাগরিক কমিটি।
আজ (১৬ জানুয়ারি) বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় কুড়িগ্রাম বিজয়স্তম্ভে প্রেস ব্রিফিং এর পর কুড়িগ্রামের বিভিন্ন পথ অতিক্রম করে রামখানা দিঘির পাড়ে গিয়ে সমাবেশ করেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও নাগরিক কমিটির নেতৃবৃন্দ ।
মার্চ ফর ফেলানীতে অংশগ্রহণ করেন, নাগরিক কমিটির যুগ্ন আহবায়ক ড. আতিক মুজাহিদ এর সভাপতিত্বে পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন নাগরিক কমিটির আহবায়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম,বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নির্বাহী সদস্য আরিফ সোহেল,সহ সমন্বয়ক রিফাত রিদওয়ান।
সারজিস আলম বলেন, আমাদের পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র বিগত ৫৩ বছর একটি গোষ্ঠীকে ক্ষমতার চেয়ারে বসিয়ে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে যেভাবে কুক্ষিগত করে রেখেছিল, বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে ২০২৪ সালে তার মোক্ষম জবাব দিয়েছে। সিমান্তে আর কোন হত্যা হতে দেওয়া হবে না। যদি ভারতীয় বাহিনী কোন ভাবে উত্তেজনা ছড়ায় তাহলে ছাত্রজনতা তার দাঁতভাঙ্গা জবাব দিবে।
ড. আতিক মুজাহিদ বলেন, ছাত্রজনতা আন্দোলনের মাধ্যমে যে নতুন বাংলাদেশ দিয়েছে সেই ছাত্র-জনতা নতজানু পররাষ্ট্রনীতি মেনে নেবে না। আগামীতে বাংলাদেশে যারাই ক্ষমতায় আসুক না কেন, তারা যদি ক্ষমতা আঁকড়ে ধরার জন্য কোনো দেশের দালাল হয় তাহলে তাদের পরিণতি শেখ হাসিনার মতো হবে।’
আরিফ সোহেল বলেন, আমরা স্পষ্ট করে পৃথিবীর প্রত্যেকটি দেশকে একটি কথাই বলতে চাই, এই যে সীমান্ত হত্যা, তারকাঁটা দেওয়ার নামে জোর করে বাধা দেওয়ার জন্য যে প্রয়াস তা রুখে দেওয়ার জন্য নতুন করে যে অভ্যুথান হয়েছে এই অভ্যুথানের স্ফুলিং সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।’
মার্চ ফর ফেলানীতে আরো যোগ দিয়েছেন ২৪এর গণঅভ্যুত্থানের সকল ছাত্র-জনতা। ছাত্র জনতা এবং সেন্ট্রাল নেতারা কঠোরভাবে ভারতকে হুঁশিয়ারি যে সীমান্তে যাতে কোন রকম উত্তেজনা না হয়। যদি কোন ভাবে ভারতের সীমান্ত বাহিনী উত্তেজনা করার চেষ্টা করে তাহলে ছাত্র জনতারা কঠিন ভাবে পদক্ষেপ নেবে।
Leave a Reply