1. atik@kurigramsongbad.com : atik :
  2. editor1@kurigramsongbad.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
  3. sifat@kurigramsongbad.com : sifat :
  4. siteaccess@pixelsuggest.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
সাম্প্রতিক :
চরমোনাই পীরের উপস্থিতিতে ভূরুঙ্গামারী ইসলামী আন্দোলনের নতুন কমিটি ডেঙ্গু প্রতিরোধে ভূরুঙ্গামারীতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ভূরুঙ্গামারীতে ইয়াবা-গাঁজাসহ দুইজন গ্রেপ্তার দেশজুড়ে সেরা ডিল ও ডেলিভারি সুবিধা নিয়ে শুরু হচ্ছে দারাজ ৯.৯ অ্যানিভার্সারি সেল ভূরুঙ্গামারীতে উপকারভোগীদের মাঝে এসডিএস’র বকনা বাছুর বিতরণ আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবসে ভূরুঙ্গামারীতে আলোচনা সভা তিলাই উচ্চ বিদ‍্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ সোনাহাট কলেজ ক্যানটিনে ২০ টাকায় মিলবে দুপুরের খাবার ভূরুঙ্গামারীতে ইটভাটায় সার মজুত, ৪ লাখ টাকা জরিমানা ভূরুঙ্গামারীতে ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান র‍্যালী ও আলোচনা সভা 

এক হাতে মায়ের সেবা, অন্য হাতে ছেলের যত্ন-জীবনের যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন জমিনা

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৯ জুলাই, ২০২৫
  • ২৩১ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

জীবনের কাছে নয়, বরং সমাজ ও রাষ্ট্রের অবহেলার কাছে প্রতিনিয়ত হার মানছেন কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাঁচগাছি ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া গ্রামের জমিনা বেওয়া। জন্মগত প্রতিবন্ধী ছেলে এবং মৃত্যুপথযাত্রী বৃদ্ধা মায়ের সেবায় নিজেই অসুস্থ শরীরে দিনরাত পরিশ্রম করে চলেছেন তিনি।

এক চিলতে জমি, জরাজীর্ণ কুঁড়েঘর, নেই মাথার ছাদ-বৃষ্টির দিনে খাটের নিচে বসে থাকতে হয় জমিনা ও তার পরিবারকে। আর্থিক অনটনে না পারছেন ছেলের চিকিৎসা করাতে, না পারছেন মায়ের ওষুধ জোগাড় করতে। পরিবারের প্রধান উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হাফেজ উদ্দিন মারা গেছেন দুই মাস আগে, এরপর থেকেই যেন আরও অন্ধকারে ডুবে গেছে পরিবারটি।

 

জন্মগতভাবে শারীরিক প্রতিবন্ধী ৩৫ বছর বয়সী জলিল উদ্দিন হাঁটাচলা করতে পারেন না, কাজকর্ম তো দূরের কথা। তার দেখাশোনা ও দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটান মা জমিনা বেওয়া। অন্যদিকে, ৮৫ বছর বয়সী বৃদ্ধা আসিমন বেওয়া (জমিনার মা) বিছানায় শয্যাশায়ী, বার্ধক্যজনিত নানা রোগে আক্রান্ত। তিনজনের দায়িত্ব এখন জমিনার কাঁধে, অথচ তিনি নিজেও অসুস্থ।

জমিনা বেওয়া বলেন, “নিজের শরীর তো আর চলে না ঠিকমতো, তাও মোর ছেলে আর মায়েরে নিয়া লড়তাছি। কেউ কিছু দেয় না, কেউ দেখে না। আমিই মরি না কেন আল্লাহ জানে।”

এই অসহায়তা দেখে চোখের জল ধরে রাখতে পারেন না প্রতিবেশীরাও। স্থানীয় বাসিন্দা অনিল চন্দ্র বলেন, “আমি এই পরিবারটিকে ছোটবেলা থেকে দেখছি। এখন চোখের সামনে এদের এই অবস্থাটা মেনে নেওয়া যায় না।” অন্যদিকে, এলাকাবাসী এনামুল হক ও সাকিম মিয়া সরকারের প্রতি দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানান।

তাদের আহ্বান সরকারিভাবে একটি টিনের ঘর, প্রতিবন্ধী ছেলের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা, বৃদ্ধার ওষুধ ও খাবারের ব্যবস্থা এবং জমিনার জন্য একটি মাসিক ভাতা বরাদ্দ দিলেই পরিবারটি বাঁচতে পারে।

জীবনের বিরুদ্ধে এমন লড়াই, যেখানে একজন মা নিজের সবকিছু বিসর্জন দিয়ে কেবল সন্তান ও মায়ের মুখে খাবার তুলে দিতে চায়। তা কেবল দুঃখের গল্প নয়, এক জীবন্ত সাহসিকতার প্রতিচ্ছবি। এই পরিবারটির দিকে সমাজ ও সরকারের সহানুভূতির দৃষ্টি জরুরি।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো খবর


Kurigram Songbad © 2025. All Rights Reserved.
Built with care by Pixel Suggest
error: Content is protected !!