1. atik@kurigramsongbad.com : atik :
  2. editor1@kurigramsongbad.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
  3. sifat@kurigramsongbad.com : sifat :
  4. siteaccess@pixelsuggest.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
সাম্প্রতিক :
এনসিপির ভূরুঙ্গামারী উপজেলা আহ্বায়ক কিরন, সদস্য সচিব আনিস ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ভূরুঙ্গামারীতে জশনে জুলুস ভূরুঙ্গামারীতে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও মোটিভেশনাল সেমিনার ভূরুঙ্গামারীতে ঔষধ আইন পরিপালন ও অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ে সচেতনতামূলক সভা ভূরুঙ্গামারীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকসেবীর এক মাসের কারাদণ্ড ভূরুঙ্গামারীতে মাদকবিরোধী মানববন্ধন, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ভূরুঙ্গামারীতে প্রথম হাসি প্রজেক্টের ক্যপাসিটি বিল্ডিং ওয়ার্কশপ ভূরুঙ্গামারীতে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ, পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতার বার্তা ভূরুঙ্গামারীতে মাদক প্রতিরোধে মানববন্ধন ভূরুঙ্গামারীতে ১৭৪০ মিটার অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করে ধ্বংস করল প্রশাসন

ফুলবাড়ীতে সাপের ছোবলে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু, কুড়িগ্রাম হাসপাতালে চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগ

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৭৩ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি উপজেলায় সাপের ছোবলে লিমা আক্তার (১৪) নামের এক স্কুলছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে উপজেলার ভাঙামোড় ইউনিয়নের নগরাজপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে পরিবারের সঙ্গে ঘুমিয়ে ছিল লিমা। রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ঘুম ভাঙলে সে গোয়ালঘরে গরু দেখতে যায়। এসময় গোয়ালঘরের তালার চাবি নেওয়ার জন্য টিনের বাক্সে হাত দিতেই একটি বিষধর কালাচ সাপ তাকে ছোবল মারে।

পরে স্বজনরা লিমাকে দ্রুত কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কোনো চিকিৎসা পাননি বলে অভিযোগ করেছেন তারা। পরিবারের দাবি, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে—সাপের কামড়ের চিকিৎসা ও প্রতিষেধক সেখানে নেই। পরে দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক লিমাকে মৃত ঘোষণা করেন।

লিমার বাবা বলেন, “আমার মেয়ে ঘুম থেকে উঠে গোয়ালঘরের তালার চাবি নিতে গেলে একটি সাপ কামড় দেয়। আমরা দ্রুত কুড়িগ্রাম হাসপাতালে নিয়ে যাই, কিন্তু সেখানে কোনো চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। পরে রংপুর মেডিকেলে নেওয়ার পর আমার মেয়ে মারা যায়।”

এদিকে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে সাপের কামড়ের প্রতিষেধক না থাকায় রোগীদের প্রায়ই রংপুরে নিতে হয়। এতে অনেকে পথেই মৃত্যুবরণ করেন। তাদের দাবি, জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে সাপের কামড়ের চিকিৎসা ও প্রতিষেধক সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো খবর


Kurigram Songbad © 2025. All Rights Reserved.
Built with care by Pixel Suggest
error: Content is protected !!