1. atik@kurigramsongbad.com : atik :
  2. editor1@kurigramsongbad.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
  3. sifat@kurigramsongbad.com : sifat :
  4. siteaccess@pixelsuggest.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
সাম্প্রতিক :
ভূরুঙ্গামারী সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরলেন এক নারী সহ তিন বাংলাদেশী কুড়িগ্রামে এগিয়ে চলছে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি; বাড়ছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও মনোযোগ ভূরুঙ্গামারীতে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় ছয়জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ ভূরুঙ্গামারীতে ফার্মেসি ব্যবসায়ীদের নিয়ে সচেতনতামূলক সভা চরমোনাই পীরের উপস্থিতিতে ভূরুঙ্গামারী ইসলামী আন্দোলনের নতুন কমিটি ডেঙ্গু প্রতিরোধে ভূরুঙ্গামারীতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ভূরুঙ্গামারীতে ইয়াবা-গাঁজাসহ দুইজন গ্রেপ্তার দেশজুড়ে সেরা ডিল ও ডেলিভারি সুবিধা নিয়ে শুরু হচ্ছে দারাজ ৯.৯ অ্যানিভার্সারি সেল ভূরুঙ্গামারীতে উপকারভোগীদের মাঝে এসডিএস’র বকনা বাছুর বিতরণ আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবসে ভূরুঙ্গামারীতে আলোচনা সভা

গৌরবের ১৮ এপ্রিল: বড়াইবাড়ী দিবসের স্বীকৃতি চায় দেশবাসী

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২৫৯ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আজ ১৮ এপ্রিল, ঐতিহাসিক বড়াইবাড়ী দিবস। ২০০১ সালের এই দিনে কুড়িগ্রামের রৌমারীর বড়াইবাড়ী ছিটমহলে সংঘটিত হয়েছিল একটি ভয়াবহ সীমান্ত সংঘর্ষ, যা আজও বাংলাদেশের মানুষের মনে গভীরভাবে আছে।

২০০১ সালের ১৮ এপ্রিল রাতের আঁধারে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ গোপনে কাটাতারের বেড়া পেরিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকে পড়ে। ধানক্ষেত পেরিয়ে তারা বড়াইবাড়ী বিডিআর ক্যাম্পের দিকে অগ্রসর হয় হামলার উদ্দেশ্যে। তাদের এই গোপন অভিযানের খবর প্রথমে এক স্থানীয় যুবক দেখতে পেয়ে দ্রুত বিডিআর ক্যাম্পে খবর দেন।

খবর পেয়ে ক্যাম্প কমান্ডার তাৎক্ষণিকভাবে জোয়ানদের সতর্ক অবস্থানে থাকার নির্দেশ দেন। বিএসএফ ক্যাম্পের কাছাকাছি এসে হঠাৎ বৃষ্টির মতো গুলিবর্ষণ শুরু করে। প্রায় আধাঘণ্টা টানা গুলি ছোড়ার পর, কোনো জবাব না পেয়ে তারা ভেবে নেয় ক্যাম্প খালি। তখনই তারা অগ্রসর হতে থাকলে বিডিআর জোয়ানরা পাল্টা গুলি ছুড়তে শুরু করে। চাইনিজ লং রেঞ্জ মেশিনগানের প্রবল গুলিতে হতচকিত হয়ে পড়ে বিএসএফ এবং নিহত হয় ১৬ জন বিএসএফ সদস্য।

তবে এই ঘটনায় শহীদ হন তিনজন বাংলাদেশি সেনা—নায়েক সুবেদার ওয়াহিদ মিয়া, সিপাহী মাসফুজুর রহমান এবং সিপাহী আবদুল কাদের। এছাড়া আরও ছয়জন সাধারণ মানুষ আহত হন।

পরবর্তী ৪২ ঘণ্টার টানা সংঘর্ষে বিএসএফের শতাধিক সদস্য নিহত হয়। মর্টার শেল ও আগুনে পুরো বড়াইবাড়ী ছিটমহল ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। সেদিনের সংঘর্ষে ১৭৯টি ঘরে অগ্নিসংযোগ করা হয়। তৎকালীন বিডিআর এবং স্থানীয় জনতার সম্মিলিত প্রতিরোধে বিএসএফ পিছু হটতে বাধ্য হয়।

সংঘর্ষের পর তৎকালীন বিডিআর মহাপরিচালক এ.এল.এম ফজলুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। শহীদ তিন বিডিআর সদস্যকে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয় এবং ১৬ বিএসএফ সদস্যের মরদেহ ঢাকায় আনা হয়।

২০০১ সালের এই ঘটনার স্মরণে বড়াইবাড়ী সীমান্তবাসী প্রতিবছর দিনটিকে “বড়াইবাড়ী দিবস” হিসেবে পালন করে আসছেন। বিজিবি সদস্যরাও স্থানীয়দের সঙ্গে নানা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে থাকেন।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো খবর


Kurigram Songbad © 2025. All Rights Reserved.
Built with care by Pixel Suggest
error: Content is protected !!