দেশজুড়ে চলমান “চব্বিশের আগস্ট বিপ্লব” আন্দোলনের সময় ঢাকার শনির আখড়ায় গুলিতে নিহত রিকশাচালক সৈকতের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শুক্রবার (২৮ মার্চ) বিকেলে তার নির্দেশে নিহত সৈকতের পরিবারের হাতে ঈদ উপহার ও নগদ অর্থ তুলে দেন কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা।
নিহত সৈকত চাঁদপুর জেলার মতলব উপজেলার দুলাল মাস্টারের ছেলে। তিনি কর্মসূত্রে ঢাকায় রিকশা চালাতেন। ঘটনার দিন অসুস্থ মায়ের জন্য ওষুধ আনতে বের হলে পুলিশের গুলিতে তিনি নিহত হন। মৃত্যুর পর তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার দুই সন্তানকে নিয়ে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার নাজিমখান ইউনিয়নের বসুনিয়া পাড়া গ্রামে বাবার বাড়িতে আশ্রয় নেন।
নিহত সৈকতের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিএনপির নেতারা বলেন, এই হত্যাকাণ্ড রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের একটি নির্মম উদাহরণ। তারা দোষীদের দ্রুত বিচার ও নিহতের পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবি জানান।
উপস্থিত নেতারা আরও বলেন, তারেক রহমান সবসময় জনগণের পাশে ছিলেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো বিএনপির নীতি, আর সেই ধারাবাহিকতায় নিহত সৈকতের পরিবারকেও সহায়তা করা হয়েছে।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সদস্যসচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু, যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক হাসিবুর রহমান হাসিব, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আনিছুর রহমান, সদস্যসচিব সহিদুল ইসলাম, নাজিমখান ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক আতিকুল ইসলাম আতিকসহ স্থানীয় ও জেলা পর্যায়ের বিএনপি নেতাকর্মীরা।
নিহত সৈকতের স্ত্রী স্বপ্না আক্তার বলেন, “আমার স্বামী আমাদের একমাত্র ভরসা ছিলেন। তার অকাল মৃত্যু আমাদের জীবনকে অন্ধকার করে দিয়েছে। এখন আমাদের পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ নেই। বিএনপির এই সহায়তা কিছুটা হলেও আমাদের কষ্ট লাঘব করবে।”
নেতারা সৈকতের পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন এবং তাদের সহায়তার আশ্বাস দেন।
Leave a Reply