1. atik@kurigramsongbad.com : atik :
  2. editor1@kurigramsongbad.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
  3. sifat@kurigramsongbad.com : sifat :
  4. siteaccess@pixelsuggest.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
সাম্প্রতিক :
ভূরুঙ্গামারী সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরলেন এক নারী সহ তিন বাংলাদেশী কুড়িগ্রামে এগিয়ে চলছে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি; বাড়ছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও মনোযোগ ভূরুঙ্গামারীতে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় ছয়জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ ভূরুঙ্গামারীতে ফার্মেসি ব্যবসায়ীদের নিয়ে সচেতনতামূলক সভা চরমোনাই পীরের উপস্থিতিতে ভূরুঙ্গামারী ইসলামী আন্দোলনের নতুন কমিটি ডেঙ্গু প্রতিরোধে ভূরুঙ্গামারীতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ভূরুঙ্গামারীতে ইয়াবা-গাঁজাসহ দুইজন গ্রেপ্তার দেশজুড়ে সেরা ডিল ও ডেলিভারি সুবিধা নিয়ে শুরু হচ্ছে দারাজ ৯.৯ অ্যানিভার্সারি সেল ভূরুঙ্গামারীতে উপকারভোগীদের মাঝে এসডিএস’র বকনা বাছুর বিতরণ আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবসে ভূরুঙ্গামারীতে আলোচনা সভা

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণের মাধ্যমে বেরোবি শিক্ষার্থী জহিরের বর্ষবরণ

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ২১৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

শীতার্ত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক মানবিক উদ্যোগ নিয়েছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী জহির রায়হান।

মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত ১০ টায় নিজ উদ্যোগে ৮ জন সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে রংপুর শহরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে দুস্থ, অসহায় ও শীতার্ত মানুষের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দিয়ে অন্য রকম এক থার্টি ফার্স্ট নাইট পালন করেছেন তারা।
কিছুটা ভিন্নভাবে বছরের শেষ এবং নতুন বছরের শুরুর রাতটি উদযাপন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষার্থী।
২০২৪ সালকে বিদায় আর ২০২৫ সালকে স্বাগত জানানোর মধ্য দিয়ে ৩৫০ জন শীতার্তের মাঝে ধারাবাহিকভাবে শীতবস্ত্র প্রদান করবেন ।

ব্যতিক্রমধর্মী এই আয়োজনের বিষয়ে জানতে চাইলে বেরোবি শিক্ষার্থী জহির রায়হান বলেন,শীতের তীব্রতা দিন দিন বেড়ে চলেছে, বিশেষ করে ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষদের জন্য এটি দুর্বিষহ হয়ে উঠছে। মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে এই উদ্যোগ নিয়েছি। সবসময়ই সাধারণ মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি। শীতার্ত মানুষদের কষ্ট কিছুটা লাঘব করতেই আমার এই কম্বল বিতরণের উদ্যোগ। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

তিনি আরও বলেন,বিশেষ বিশেষ দিনগুলো স্মরণ করে রাখার অনেক মাধ্যম আছে। আমরা এই দিনগুলোতে অপচয় না করে, মানুষের কষ্টদায়ক কার্যক্রম না করে মানুষের উপকারে আসবে এমন কার্যক্রম করলে কিছু অসহায় মানুষের মুখেও হাঁসি ফুটবে।প্রথমে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিটা বদলাতে হবে। এই দিনে মানুষ নানাভাবে আতশবাজি, ফানুস উড়িয়ে, বক্স ভাড়া করে নাচগানের আয়োজন করে। আর রাতের শেষে না হতেই পুরোপুরি অপচয় হয়ে যায়।আসুন আমরা টাকা অপচয় নষ্ট না করে সমাজের অসহায় মানুষের জন্য কিছু করার চেষ্টা করি।

 

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো খবর


Kurigram Songbad © 2025. All Rights Reserved.
Built with care by Pixel Suggest
error: Content is protected !!