রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদ হত্যাসহ নানা অভিযোগে পুলিশের করা মামলায় ১৩ দিন কারাগারের থাকার পর জামিনে মুক্তি পায় কলেজশিক্ষার্থী আলফি শাহরিয়ার মাহিম। পুলিশ বলছে, তদন্তে রিপোর্টে ওই শিক্ষার্থীর নাম থাকবে না। এ ছাড়া এরপর আর তার বিরুদ্ধে মামলা থাকবে না।
বিষয়টি রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদ হত্যাসহ নানা অভিযোগে পুলিশের করা মামলায় ১৩ দিন কারাগারের থাকার পর জামিনে মুক্তি পায় কলেজশিক্ষার্থী আলফি শাহরিয়ার মাহিম। পুলিশ বলছে, তদন্তে রিপোর্টে ওই শিক্ষার্থীর নাম থাকবে না। এ ছাড়া এরপর আর তার বিরুদ্ধে মামলা থাকবে না।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘যেহেতু এজাহারে তার নাম নেই সে ক্ষেত্রে তদন্ত সাপেক্ষে তাকে অব্যাহতি দেওয়া যেতে পারে। আমরা ঘটনাটি তদন্ত করে দেখেছি।’
পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র মাহিমের জামিন শুনানির জন্য আগামী ৪ আগস্ট দিন ধার্য ছিল। শিশু হওয়ায় আগাম জামিন দেওয়া হয় তাকে।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ১টার দিকে রংপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ আদালতে র জামিন আবেদন করা হয়। বিচারক মো. মোস্তফা কামাল মাহিমের জামিন মঞ্জুর করেন। এ সময় মাহিমকে অবিলম্বে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি জানান তার পরিবারের সদস্যরা।
জামিনের পর বিকেল ৫টা ৮ মিনিটে কারাগার থেকে ছাড়া পায় মাহিম। এরপর বাবার সঙ্গে চলে যায় সে।
উল্লেখ্য, গত ১৮ জুলাই বিকেলে আলফি শাহরিয়ার মাহিমকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আটক করে থানায় নিয়ে যান। এরপর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয় তাকে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী আবু সাঈদের মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় তাকে অজ্ঞাত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখান হয়।
এর আগে বুধবার (৩১ জুলাই) মাহিমের বোন সানজানা আখতার স্নেহা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদ হত্যাসহ নানা অভিযোগে পুলিশের করা মামলায় ১৩ দিন কারাগারের থাকার পর জামিনে মুক্তি পায় কলেজশিক্ষার্থী আলফি শাহরিয়ার মাহিম। পুলিশ বলছে, তদন্তে রিপোর্টে ওই শিক্ষার্থীর নাম থাকবে না। এ ছাড়া এরপর আর তার বিরুদ্ধে মামলা থাকবে না।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘যেহেতু এজাহারে তার নাম নেই সে ক্ষেত্রে তদন্ত সাপেক্ষে তাকে অব্যাহতি দেওয়া যেতে পারে। আমরা ঘটনাটি তদন্ত করে দেখেছি।’
পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র মাহিমের জামিন শুনানির জন্য আগামী ৪ আগস্ট দিন ধার্য ছিল। শিশু হওয়ায় আগাম জামিন দেওয়া হয় তাকে।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ১টার দিকে রংপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ আদালতে র জামিন আবেদন করা হয়। বিচারক মো. মোস্তফা কামাল মাহিমের জামিন মঞ্জুর করেন। এ সময় মাহিমকে অবিলম্বে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি জানান তার পরিবারের সদস্যরা।
জামিনের পর বিকেল ৫টা ৮ মিনিটে কারাগার থেকে ছাড়া পায় মাহিম। এরপর বাবার সঙ্গে চলে যায় সে।
উল্লেখ্য, গত ১৮ জুলাই বিকেলে আলফি শাহরিয়ার মাহিমকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আটক করে থানায় নিয়ে যান। এরপর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয় তাকে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী আবু সাঈদের মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় তাকে অজ্ঞাত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখান হয়।
এর আগে বুধবার (৩১ জুলাই) মাহিমের বোন সানজানা আখতার স্নেহা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলে বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। এরপর গণমাধ্যমে আলোচিত হয়। পরে বিষয়টি নিয়ে লেখালেখি হলে আজ বৃহস্পতিবার তার জামিন আবেদন করলে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।
ফেসবুকে স্ট্যাটাসে বোন সানজানা আখতার লিখেছেন, ‘যে ছেলেটা লিগ্যাল ডকুমেন্টস অনুযায়ী শিশু; তাকে তারা কোন হিসেবে এভাবে হ্যারাস (হয়রানি) করাচ্ছে? সব থেকে বড় কথা তার গায়ে কলেজ ড্রেস ছিল। আইডি কার্ড ছিল। সে পুলিশদের ইনস্টিটিউটেরই ছাত্র। এক্ষেত্রে কি তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক, সহপাঠী, আইনজীবী কারও কিছুই করার নাই? আমার ভাইকে কোন লজিকে তারা আটকে রেখেছে, দেখাও করতে দিচ্ছে না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিলে বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। এরপর গণমাধ্যমে আলোচিত হয়। পরে বিষয়টি নিয়ে লেখালেখি হলে আজ বৃহস্পতিবার তার জামিন আবেদন করলে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।
ফেসবুকে স্ট্যাটাসে বোন সানজানা আখতার লিখেছেন, ‘যে ছেলেটা লিগ্যাল ডকুমেন্টস অনুযায়ী শিশু; তাকে তারা কোন হিসেবে এভাবে হ্যারাস (হয়রানি) করাচ্ছে? সব থেকে বড় কথা তার গায়ে কলেজ ড্রেস ছিল। আইডি কার্ড ছিল। সে পুলিশদের ইনস্টিটিউটেরই ছাত্র। এক্ষেত্রে কি তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক, সহপাঠী, আইনজীবী কারও কিছুই করার নাই? আমার ভাইকে কোন লজিকে তারা আটকে রেখেছে, দেখাও করতে দিচ্ছে না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিশ্চিত করেছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘যেহেতু এজাহারে তার নাম নেই সে ক্ষেত্রে তদন্ত সাপেক্ষে তাকে অব্যাহতি দেওয়া যেতে পারে। আমরা ঘটনাটি তদন্ত করে দেখেছি।’
পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র মাহিমের জামিন শুনানির জন্য আগামী ৪ আগস্ট দিন ধার্য ছিল। শিশু হওয়ায় আগাম জামিন দেওয়া হয় তাকে।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ১টার দিকে রংপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ আদালতে র জামিন আবেদন করা হয়। বিচারক মো. মোস্তফা কামাল মাহিমের জামিন মঞ্জুর করেন। এ সময় মাহিমকে অবিলম্বে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি জানান তার পরিবারের সদস্যরা।
জামিনের পর বিকেল ৫টা ৮ মিনিটে কারাগার থেকে ছাড়া পায় মাহিম। এরপর বাবার সঙ্গে চলে যায় সে।
উল্লেখ্য, গত ১৮ জুলাই বিকেলে আলফি শাহরিয়ার মাহিমকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আটক করে থানায় নিয়ে যান। এরপর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে হয় তাকে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী আবু সাঈদের মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় তাকে অজ্ঞাত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখান হয়।
এর আগে বুধবার (৩১ জুলাই) মাহিমের বোন সানজানা আখতার স্নেহা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলে বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। এরপর গণমাধ্যমে আলোচিত হয়। পরে বিষয়টি নিয়ে লেখালেখি হলে আজ বৃহস্পতিবার তার জামিন আবেদন করলে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।
ফেসবুকে স্ট্যাটাসে বোন সানজানা আখতার লিখেছেন, ‘যে ছেলেটা লিগ্যাল ডকুমেন্টস অনুযায়ী শিশু; তাকে তারা কোন হিসেবে এভাবে হ্যারাস (হয়রানি) করাচ্ছে? সব থেকে বড় কথা তার গায়ে কলেজ ড্রেস ছিল। আইডি কার্ড ছিল। সে পুলিশদের ইনস্টিটিউটেরই ছাত্র। এক্ষেত্রে কি তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক, সহপাঠী, আইনজীবী কারও কিছুই করার নাই? আমার ভাইকে কোন লজিকে তারা আটকে রেখেছে, দেখাও করতে দিচ্ছে না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
Leave a Reply