1. atik@kurigramsongbad.com : atik :
  2. editor1@kurigramsongbad.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
  3. sifat@kurigramsongbad.com : sifat :
  4. siteaccess@pixelsuggest.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
সাম্প্রতিক :
জরায়ুমুখ ক্যান্সার স্ক্রিনিংয়ে কুড়িগ্রামে সেরা নাগেশ্বরী, সম্মাননা পেলেন নার্স নাজমা দুধকুমার নদে সাঁড়াশি অভিযান, জব্দ ২ হাজার ৫০০ মিটার চায়না জাল ভূরুঙ্গামারীতে ভারতীয় গরু সহ ৩ যুবক গ্রেপ্তার রাজিবপুর মডেল প্রেসক্লাবের আংশিক কমিটি ঘোষণা প্রেমের বিয়ের পর প্রতারণার অভিযোগ, ন্যায়বিচার চাইলেন টাঙ্গাইলের যুবক ভূরুঙ্গামারীতে দুধকুমার নদের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা কুড়িগ্রামে যমজ তিন বোনের অনন্য সাফল্য, একসঙ্গে পেল ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি জলাবদ্ধতায় অচল চরনেওয়াজী দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ, দুর্ভোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা জাল নোট দিয়ে ভারতীয় সীমান্ত থেকে মাদক কেনার চেষ্টা, আটক ১ ভূরুঙ্গামারীতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন

চিলমারীতে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে দুপুরেই মাদ্রাসা বন্ধ

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৫৩৯ বার পড়া হয়েছে

মিজানুর রহমান মিজান, চিলমারী (কুড়িগ্রাম):

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে সরকারি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে নিজেদের খেয়াল-খুশিমতো প্রতিষ্ঠান পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে রাজারভিটা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা ও রাজারভিটা ইসলামিয়া মহিলা আলিম মাদ্রাসার বিরুদ্ধে। প্রতিদিন দুপুর হলেই শিক্ষক ও কর্মচারীরা মাদ্রাসা ছুটি দিয়ে চলে যান বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) দুপুর পৌনে ২টায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দুটি মাদ্রাসার গেটে তালা ঝুলছে, জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়নি এবং অফিস ও শ্রেণিকক্ষ সম্পূর্ণ বন্ধ।

স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিন দুপুর ১টা থেকে দেড়টার মধ্যেই মাদ্রাসাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর শিক্ষক ও কর্মচারীরা সবাই চলে যান। এতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি মারাত্মকভাবে কমে গেছে এবং নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।

এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক আশাদুল ইসলাম বলেন, “প্রায় প্রতিদিন দুপুরের আগেই মাদ্রাসা বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার আগ্রহ ও মান দুই-ই কমে যাচ্ছে।”

মাদ্রাসা সূত্রে জানা যায়,
*রাজারভিটা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসায়* ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে ফাজিল পর্যন্ত ৮২১ জন শিক্ষার্থী ও ৩৬ জন শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন।
অন্যদিকে, *রাজারভিটা ইসলামিয়া মহিলা আলিম মাদ্রাসায়* ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে আলিম পর্যন্ত ৩০০ জন শিক্ষার্থী এবং ২৪ জন শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন।

তবে মহিলা আলিম মাদ্রাসায় দেখা যায়, আরবি প্রভাষক আব্দুল গাফ্ফার একটি শ্রেণিকক্ষে দশম শ্রেণির তিনজন শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়াচ্ছেন।
প্রাইভেট পড়তে আসা শিক্ষার্থীরা— আতিকা মনি, মানছুরা ইয়াসমীন মাফিয়া ও নাজমিন নাহার জানান, “মাদ্রাসা ছুটি হয়ে গেছে, প্রাইভেট পড়ে এখন বাড়ি যাব।”

বিষয়টি জানতে চাইলে প্রভাষক আব্দুল গাফ্ফার বলেন, “দুপুর দেড়টার দিকে মাদ্রাসা বন্ধ হয়, তাই আমি তখন প্রাইভেট পড়াই।”

রাজারভিটা ইসলামিয়া মহিলা আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম রাজু বলেন, “আমি অসুস্থতার কারণে বাসায় চলে এসেছি। অন্য শিক্ষকরা কেন আগে চলে গেছেন তা আমার জানা নেই।”

অন্যদিকে, রাজারভিটা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ড. মো. মিনহাজুল ইসলাম জানান, “অফিসের জরুরি কাজে আমি বাইরে ছিলাম, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দায়িত্বে ছিলেন। মাদ্রাসা ছুটির ব্যাপারে আমি জানি না।”

এ বিষয়ে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন,
“বিকেল ৪টার আগে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সুযোগ নেই। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো খবর


Kurigram Songbad © 2025. All Rights Reserved.
Built with care by Pixel Suggest
error: Content is protected !!