পাবিপ্রবি প্রতিনিধি:
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) হলে সিট বণ্টনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে আমরণ অনশনে বসা পাঁচ শিক্ষার্থীর দাবি ৭ ঘণ্টা পর মেনে নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ও হল প্রশাসন।
শনিবার (৯ আগস্ট) সকাল ১১টা থেকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে বাংলা বিভাগের মিকাইল হোসেন, গণিত বিভাগের তৌফিক হায়াত ওয়াসিন, সাখাওয়াত হোসাইন, সমাজকর্ম বিভাগের সোহেল রানা ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের আবু জিহাদ অনশনে বসেন। তাদের দাবি ছিল, ৬ আগস্ট প্রকাশিত জুলাই ৬ হলের সিট বণ্টনের ফলাফল বাতিল এবং প্রশাসনের জন্য বরাদ্দ থাকা ১০% সিট নীতি বাতিল করে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে সিট বণ্টন করা।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রশাসন বরাদ্দ রাখা ১০% সিট রাজনৈতিক দল ও এক সমন্বয়কের মধ্যে বণ্টন করেছে, ফলে যোগ্য শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হয়েছেন। ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনিয়মের সমালোচনা হলেও দুই দিনের মধ্যে প্রশাসন কোনো সঠিক ব্যাখ্যা দেয়নি।
বিকেল ৬টার দিকে অনশনে থাকা তৌফিক হায়াত ওয়াসিন ও সোহেল রানা অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের পাবনা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। এ ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় ও হল প্রশাসন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় বসে অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে দাবি মেনে নেয়।
জুলাই ৬ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান বলেন, “শিক্ষার্থীদের নিয়েই আমাদের কাজ। তারা না থাকলে আমাদের কোনো মূল্য নেই। স্বচ্ছতার জন্য আমরা বিতর্কিত ফলাফল স্থগিত করছি এবং পরবর্তীতে মার্কসিটসহ ফলাফল প্রকাশ করবো।”
শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, প্রশাসনের জন্য বরাদ্দ ১০% সিট নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে ভিসির সঙ্গে আলোচনা হবে। তারা সতর্ক করে বলেছেন, এই সিটগুলো রাজনৈতিক দলে বণ্টন হলে তা ‘অনর্থ’ হবে।
Leave a Reply