নিজস্ব প্রতিবেদক
আসন্ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ হল ছাত্র সংসদে সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে লড়বেন কুড়িগ্রামের রাজিবপুরের সন্তান আল ইমরান। তিনি ২০২০-২১ সেশনের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী।
নির্বাচনে প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ড. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ হল বিভিন্ন সঙ্কটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বিগত বছরগুলোয় এসব সংকট নিরসনের চেষ্টা করা হলেও নানা বাধা-বিপত্তির কারণে সমাধান সম্ভব হয়নি। কোথাও যেন একটি কালো হাত সংকট জিইয়ে রাখছে। দীর্ঘদিন পর আবারও শিক্ষার্থীরা ডাকসু নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধি বাছাই করা সুযোগ পাচ্ছে। সে পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীদের একজন যোগ্য প্রতিনিধি হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করার লক্ষ্যে হল সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমি নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করলে প্রথমেই যে সমস্যাগুলো সমাধানে নজর দিবো তা হলো
১. হলে আবাসন সংকট নিরসন।
২. সিট সংখ্যা বৃদ্ধি।
৩. ১ম বর্ষের অনেক দরিদ্র শিক্ষার্থী হলে সিট না পেয়ে বাইরে মেসে থাকে। তাদের জন্য এক বছর মেয়াদি মাসিক আবাসন ভাতার ব্যবস্থা করা।
৩. গণরুম, গেস্টরুম কালচার স্থায়ী বিলুপ্তিকরণ। যাতে পরবর্তীতে আর কোনো রাজনৈতিক সংগঠন শিক্ষার্থীদের উপর অমানসিক নির্যাতন করতে না পারে।
৫. ক্যান্টিন ও পুকুরপাড়ের খাবারের সমস্যা সমাধান ও পুষ্টি চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে খাবারের মান উন্নয়ন।
৬. চৌধুরী পাঠাগারের একটি বিশুদ্ধ খাবার পানির ফিল্টার স্থাপন করা।
৭. জলাবদ্ধতা নিরসন।
৮. হলে বহিরাগত নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা বৃদ্ধিকরণের লক্ষ্যে নিরাপত্তারক্ষীদের আনসার অথবা গ্রাম পুলিশের আদলে বিশেষ ড্রেসের ব্যবস্থা করা।
এছাড়াও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হলে শহীদুল্লাহ হলকে সাংস্কৃতিক অবয়ব দান, হলে অত্যাধুনিক বাদ্যযন্ত্রবিশিষ্ট একটি কালচারাল রুম ও কালচারাল ক্লাব গঠন করাই হবে মূল উদ্দেশ্য। সেখানে শিক্ষার্থীরা লেখাপড়ার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে নিজের মনকে বিকশিত করতে পারবে। শিক্ষার্থীর গান, নৃত্য, অভিনয় ও ইসলামী সংগীত চর্চার সুযোগ পাবে। এছাড়াও বিভিন্ন জাতীয় দিবস ও ধর্মীয় উৎসবের দিনগুলোতে হলে সাংস্কৃতিক আয়োজন করা হবে।
আশা করি শিক্ষার্থীরা আমাকে একজন শিক্ষার্থীবান্ধব প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করে হলে নানাবিধ সংকট নিরসনে কাজ করার সুযোগ দিবে।’
Leave a Reply