1. atik@kurigramsongbad.com : atik :
  2. editor1@kurigramsongbad.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
  3. sifat@kurigramsongbad.com : sifat :
  4. siteaccess@pixelsuggest.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
সাম্প্রতিক :
জরায়ুমুখ ক্যান্সার স্ক্রিনিংয়ে কুড়িগ্রামে সেরা নাগেশ্বরী, সম্মাননা পেলেন নার্স নাজমা দুধকুমার নদে সাঁড়াশি অভিযান, জব্দ ২ হাজার ৫০০ মিটার চায়না জাল ভূরুঙ্গামারীতে ভারতীয় গরু সহ ৩ যুবক গ্রেপ্তার রাজিবপুর মডেল প্রেসক্লাবের আংশিক কমিটি ঘোষণা প্রেমের বিয়ের পর প্রতারণার অভিযোগ, ন্যায়বিচার চাইলেন টাঙ্গাইলের যুবক ভূরুঙ্গামারীতে দুধকুমার নদের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা কুড়িগ্রামে যমজ তিন বোনের অনন্য সাফল্য, একসঙ্গে পেল ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি জলাবদ্ধতায় অচল চরনেওয়াজী দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ, দুর্ভোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা জাল নোট দিয়ে ভারতীয় সীমান্ত থেকে মাদক কেনার চেষ্টা, আটক ১ ভূরুঙ্গামারীতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন

বারবার পিছাচ্ছে ডাকসু নির্বাচন, যা প্রত্যাশা শিক্ষার্থী ও ছাত্রপ্রতিনিধিদের

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৩ মে, ২০২৫
  • ২৮৮ বার পড়া হয়েছে

জামিউল ইসলাম, ঢাবি:

সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে ঘটে গেছে লোমহর্ষক এক ঘটনা। গত ১৩ মে রাত ১২ টার দিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাইক নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে খুন হন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার আলম সাম্য।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকার পতনের পর ঘটেছে এরকম আরো দুটি ঘটনা। তা হচ্ছে সে বছর ১৮ সেপ্টেম্বর মোবাইল চুরির অভিযোগে তোফাজ্জলকে পিটিয়ে হত্যা এবং চলতি বছর ২২ জানুয়ারি ঢাবি জিমন্যাশিয়াম এলাকায় গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায় চলিশোর্ধ ব্যক্তির লাশ।

সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা বলেছেন, ‘পরিস্থিতি বিবেচনায় এ মুহূর্তে আমরা ডাকসু’র কার্যক্রমের গতি কমিয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টিকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছি।’ অর্থাৎ পিছিয়েই যাচ্ছে ডাকসু নির্বাচন – এ বিষয়ে সাধারণ শিক্ষার্থী ও ক্যাম্পাসে ক্রিয়াশীল বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের প্রতিনিধিদের কাছে জানতে চাইলে আসে নানা প্রতিক্রিয়া।

ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাবি শাখার সেক্রেটারি মহিউদ্দিন খান বলেন, ‘ডাকসু নির্বাচন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সফল উদ্যোগ নিতে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা আশা করব যে অবিলম্বে কার্যকর উদ্যোগের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন গঠন এবং তফসিল ঘোষণার মধ্য দিয়ে নির্বাচন প্রক্রিয়ার অগ্রগতি পরিষ্কার করবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।’

তিনি আরো বলেন, ‘ক্যাম্পাসের নিরাপত্তার বিষয়কে সামনে এনে ডাকসু নির্বাচনকে পিছিয়ে দেওয়ার কোনো যৌক্তিকতা থাকতে পারে না। ডাকসু নির্বাচন এবং ক্যাম্পাস নিরাপত্তা পরস্পর বিরোধী নয়। বরং সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমেই শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের মাধ্যমে নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবি আদায় করা যেতে পারে।’

ঢাবির বিজয় একাত্তর হল ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. সাকিব বিশ্বাস বলেন, ‘ডাকসু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের গণদাবি। কিন্তু এই গণদাবিকে তথাকথিত কতিপয় সাধারণ শিক্ষার্থী ছাত্রদল ডাকসু চায়না এই ধরনের বয়ান তৈরি করার চেষ্টা করছেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘ক্যাম্পাসে বিগত নয় মাসে তিন মৃত্যুর (অর্থাৎ দুই হত্যাকাণ্ড) পাশাপাশি দোয়েল চত্ত্বরে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপর হামলা, মেট্রোরেলের পিলার থেকে হাসিনার ছবি মোছা , রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে নিষিদ্ধ সংগঠন কর্তৃক ছাত্রনেতাদের উপর হামলা, অনলাইনে/অফলাইনে (ক্যাম্পাসে) ছাত্রীদের প্রতিনিয়ত হেনস্তা করার পরিবেশ সৃষ্টি, চারুকলায় হাসিনার মোটিফে আগুন দেয়াসহ সকল ব্যর্থতার দায়ভার বর্তমান ঢাবি প্রশাসনের উপর বর্তায় এবং অবশ্যই ভিসি ও প্রক্টরকে ক্যাম্পাস নিরাপত্তা দিতে না পারার দায় স্বীকার করতেই হবে।’

সাকিব বিশ্বাস আরো বলেন, ‘ছাত্রদল ডাকসু চায় বলেই প্রশাসনের কাছে ডাকসু সংস্কার প্রস্তাবনা এবং শিক্ষার্থীরা কেমন ডাকসু চায় তা নিয়ে বিভিন্ন হল শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় সভার আয়োজন করে, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশিরভাগ ছাত্রসংগঠনের ডাকসু কেন্দ্রীক দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যায় নি। আমরা ডাকসু চাই কিন্তু বর্তমান ভিসি প্রক্টরের আন্ডারে সেটা অসম্ভব। সুতরাং, ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার ও একটি সুষ্ঠু ডাকসু নির্বাচনের জন্য বর্তমান ভিসি প্রক্টরের পদত্যাগ সহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে নতুনভাবে ঢেলে সাজানোটাই গুরুত্বপূর্ণ।’

অন্যদিকে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের যুগ্ম সদস্যসচিব মেহেদী হাসান বলেন, ‘আমি মনে করছি ডাকসু আমার দাবি বা চাওয়া না, ডাকসু আমার অধিকার। সকল দল মত নির্বিশেষে বাংলাদেশের স্বার্থে ডাকসু হওয়া জরুরি। শুধুমাত্র ডাকসু বানচাল করার উদ্দেশ্যে আমাদের ভাই সাম্যকে নিয়ে লাশের রাজনীতি করা হল এখন পর্যন্ত তার খুনীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পারেনি। ভিসি -প্রক্টরের পদত্যাগ চাওয়া এবং ডাকসু বানচাল করা দুটোই একই সুতোয় গাঁথা। ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন এইতো গত বৃহঃস্পতিবার ডিএমসি মোড়ে আলম ভাইয়ের দোকানের সামনে দাড়িয়েছি বহিরাগত একজন ছুরি নিয়ে অতর্কিত হামলা করে আমাদের উপর।এছাড়াও ক্যাম্পাসে চুরির ঘটনা আশংকাজনকহারে বেড়েছে। তবে এইসব অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা কখনোই ডাকসুর অন্তরায় হতে পারে না বরং ডাকসু আমাদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে জোড়ালো ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করছি।’

বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর ঢাবি শাখার সদস্য ইসরাত জাহান ইমু বলেন, ‘ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আর ডাকসুর প্রস্তুতি দুইটা একইসাথে করা সম্ভব। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দুইটা করতেই ইতোমধ্যে ব্যর্থ হয়েছে। তোফাজ্জল হত্যা, হাসিনার ঘৃণাস্তম্ভ মোছা এবং প্রতিকৃতি পোড়ানোর ঘটনার পরে প্রক্টরের পদত্যাগের দাবি উঠে। উনি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার কথা দেন। তারপরও সাম্য খুন হয় এবং খুনের ৭ দিন পরেও বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার কোনো সিসিটিভি ফুটেজ পাওয়া যায় নাই। ঢাবিতে জুলাইয়ে আক্রমণের সাথে জড়িত ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতেও প্রশাসন ব্যর্থ। ১২৮ জনকে “সাময়িক” বহিষ্কার করা হয়েছে সেই লিস্ট অপূর্ণাঙ্গ এবং প্রশ্নবিদ্ধ। এতোসব ব্যর্থতার দায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যেহেতু স্বীকার করেই, বর্তমান প্রশাসনের উচিত পদত্যাগ করে প্রশাসনিক দক্ষতাসম্পন্ন যোগ্য ব্যক্তিকে প্রক্টরের দ্বায়িত্ব হস্তান্তর করা। জুলাইয়ের হামলাকারীদের বিচার এবং নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত করতে যেই প্রশাসনই আসুক ডাকসু আদায় করতে সব ছাত্রসংগঠনকে একসাথে লড়তে হবে।’

বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর ঢাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক সামি আব্দুল্লাহ বলেন, ‘বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর গণতান্ত্রিক রূপান্তরের জন্য দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবি করে আসছে। আমরা প্রশাসন থেকে ছাত্র সংসদ নির্বাচন আয়োজনের কোনো সদিচ্ছা দেখছি না। নয় মাসেও ডাকসু নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা হয় নি। এছাড়া, ডাকসু নির্বাচনের জন্য ক্যাম্পাসে যে পাটাতন প্রস্তুত করা প্রয়োজন – বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীসহ জনমানুষের নিরাপত্তা, তা নিশ্চিত করতে এই প্রশাসন বার বারই ব্যর্থ। তোফাজ্জল হত্যাকাণ্ড থেকে শুরু করে ফ্যাসিস্ট হাসিনার ঘৃণাস্তম্ভ মোছা, শোভাযাত্রার জন্য তৈরি হাসিনার মোটিফ পোড়ানো, নিষিদ্ধ ঘোষিত হিজবুত তাহরীরের অবাধ কার্যক্রম, সন্ত্রাসী ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ না করা এবং সর্বশেষ সাম্য হত্যাকাণ্ড – প্রত্যেকটি ঘটনাই প্রশাসনের নয় মাসের ব্যর্থতাকেই স্পষ্ট করে।’

তিনি আরো বলেন, ‘দায়িত্বগ্রহণের পর দুই খুন ও বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যর্থতার দায় নিয়ে পদত্যাগের দাবি শুধুমাত্র ছাত্রদলের না। সন্ত্রাসবিরোধী শিক্ষার্থীবৃন্দ প্লাটফর্মও এই দাবি জানিয়েছে। প্রশাসনের বিভিন্ন অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্ত ও বিচারহীনতার ধারাবাহিকতাই সাম্য হত্যার সামগ্রিক ক্ষেত্র তৈরি করেছে। এই চরম অরাজক পরিস্থিতিতে যেকোনো শিক্ষার্থীই হতে পারে পরবর্তী ভিক্টিম। প্রত্যেকটি সচেতন শিক্ষার্থীই নিরাপদ ক্যাম্পাস ও ছাত্র সংসদ নির্বাচন চায়।’

বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের যুগ্ম সদস্যসচিব স্মৃতি আফরোজ সুমি বলেন, ‘প্রক্টর, ভিসি চাচ্ছে না ডাকসু হোক ব্যাপারটা এমন না। তাদেরকে আসলে ডাকসু নিয়ে আগাতে দেয়া হচ্ছে না। একেক সময় একেক ইস্যু তুলে ডাকসুকে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। সাম্য হত্যার বিচার আর ডাকসুকে কেনো মুখোমুখি দাঁড় করানো হবে? দুটো কি সম্পূর্ণ আলাদা ব্যাপার না? দুটোই চলুক না আলাদাভাবে। আমরা প্রত্যেকেই চাই সাম্য হত্যার বিচার হোক, অপরাধীরা শাস্তি পাক। ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে নিয়ে আসার জন্য হলেও এই মুহূর্তে ডাকসু প্রয়োজন। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত ছাত্র সংসদ নির্বাচন হলে রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র টিকতে পারবে না।’

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসোল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সাকিব তাহমিদ বলেন, ‘দ্রুত ও স্বচ্ছ ডাকসু নির্বাচন চাই। অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে ঢাবি প্রশাসন ক্যাম্পাসের অনেক ইস্যুতে মুন্সিয়ানার পরিচয় দিলেও ডাকসু নির্বাচনে কেন দীর্ঘসূত্রিতা করছেন, তা নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম ধোয়াশা জন্ম নিয়েছে। নির্বাচন পেছাতে যদি কোনো রাজনৈতিক চাপ থেকে থাকে, তাহলে তা কৌশলে মোকাবিলা করা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়িত্ব বলে মনে করি। তবে ডাকসু নির্বাচন আয়োজনের সাথে ক্যাম্পাসের বিচ্ছিন্ন তিনটি খুন-মৃত্যুর সম্পর্ক তৈরী করা অমূলক।’

আরেক শিক্ষার্থী আশিক মাহমুদ বলেন, ‘ডাকসু নির্বাচন ক্রমশ পেছানো নিঃসন্দেহে ছাত্রসমাজের গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার পথে একটি হতাশাজনক প্রতিবন্ধকতা। দীর্ঘদিন ধরেই ডাকসু নির্বাচন হয়নি, আর যখন একটি সুযোগ সৃষ্টি হয়, তখন সেটি পিছিয়ে যাওয়া ছাত্রসমাজের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি করে। এটি শুধু শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্বের অধিকারকে বিলম্বিত করে না, বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রশ্নও তোলে। তাই এ ধরনের বিলম্ব অনাকাঙ্ক্ষিত ও ন্যায্যতার পরিপন্থী।’
তিনি আরো বলেন, ‘তিনটি খুনের মতো মর্মান্তিক ঘটনায় প্রশাসনের ব্যর্থতা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, কেন একটি কার্যকর ছাত্রসংসদ দরকার। কেবলমাত্র কোনো সংগঠনের দাবিতে নয় — বরং ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই একটি সক্রিয় ডাকসু অপরিহার্য।’

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো খবর


Kurigram Songbad © 2025. All Rights Reserved.
Built with care by Pixel Suggest
error: Content is protected !!