1. atik@kurigramsongbad.com : atik :
  2. editor1@kurigramsongbad.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
  3. sifat@kurigramsongbad.com : sifat :
  4. siteaccess@pixelsuggest.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
সাম্প্রতিক :
দেশজুড়ে সেরা ডিল ও ডেলিভারি সুবিধা নিয়ে শুরু হচ্ছে দারাজ ৯.৯ অ্যানিভার্সারি সেল ভূরুঙ্গামারীতে উপকারভোগীদের মাঝে এসডিএস’র বকনা বাছুর বিতরণ আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবসে ভূরুঙ্গামারীতে আলোচনা সভা তিলাই উচ্চ বিদ‍্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ সোনাহাট কলেজ ক্যানটিনে ২০ টাকায় মিলবে দুপুরের খাবার ভূরুঙ্গামারীতে ইটভাটায় সার মজুত, ৪ লাখ টাকা জরিমানা ভূরুঙ্গামারীতে ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান র‍্যালী ও আলোচনা সভা  এনসিপির ভূরুঙ্গামারী উপজেলা আহ্বায়ক কিরন, সদস্য সচিব আনিস ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ভূরুঙ্গামারীতে জশনে জুলুস ভূরুঙ্গামারীতে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও মোটিভেশনাল সেমিনার

রৌমারীর হাওর অঞ্চলে পাহাড়ি ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে বোরো ধান দিশেহারা কৃষকরা, নেই পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৮ মে, ২০২৫
  • ৩৩২ বার পড়া হয়েছে

মাজারুল ইসলাম, রৌমারী প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে শতাধিক বিলের বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে হতাশায় ভুগছেন স্থানীয় কৃষকরা। চলতি মৌসুমে জমির পাকা ও আধাপাকা ধান দীর্ঘ সময় পানির নিচে থাকায় তা পচে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

সরেজমিনে ঘুরে জানা গেছে, জিঞ্জিরাম নদের অববাহিকার লাঠিয়াল ডাঙ্গা কালাপানির বিল, বেকরিবিল, সীমান্তঘেঁষা আলগারচর দর্নির বিল এবং ডিসি সড়কের দু’পাশের খাল-বিলসহ শতাধিক বিল পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব বিল বছরে মাত্র তিন মাস শুকনো থাকে এবং বছরে একবারই বোরো ধান চাষ করা হয়। কিন্তু এবছর আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় টানা বৃষ্টিতে বিলের ফসল তলিয়ে গেছে।

স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন, এসব বিলের ধানই তাদের সংসারের প্রধান ভরসা। কিন্তু এবার সব ধান পচে গেছে। সীমান্তবর্তী আলগারচর, খেওয়ার চর, হাওর এলাকার কৃষক রবিউল ইসলাম, লুৎফর রহমান, সাখাওয়াত হোসেন, লতিফ, আব্দুল আজী, বাবুল, মনজিল হোসেন, জালাল, আলী আহম্মেদ, ছাত্তার, কুদ্দুস, লিচু, নাছির, জলিল, মাহুবর, সামছুল, রহিমুদ্দিনসহ অনেকে জানান, পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিবারই একইভাবে ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে।

কৃষকদের অভিযোগ, বছর পর বছর একই সমস্যার সম্মুখীন হলেও পানি নিষ্কাশনের কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তারা সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণ এবং পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে রৌমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাইয়ুম চৌধুরী জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ১০ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে। ফলন ভালো হলেও পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টির কারণে সীমান্তঘেঁষা হাওর অঞ্চলে পানি প্রবেশ করে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো খবর


Kurigram Songbad © 2025. All Rights Reserved.
Built with care by Pixel Suggest
error: Content is protected !!