1. atik@kurigramsongbad.com : atik :
  2. editor1@kurigramsongbad.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
  3. sifat@kurigramsongbad.com : sifat :
  4. siteaccess@pixelsuggest.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
সাম্প্রতিক :
ভূরুঙ্গামারী সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরলেন এক নারী সহ তিন বাংলাদেশী কুড়িগ্রামে এগিয়ে চলছে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি; বাড়ছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও মনোযোগ ভূরুঙ্গামারীতে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় ছয়জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ ভূরুঙ্গামারীতে ফার্মেসি ব্যবসায়ীদের নিয়ে সচেতনতামূলক সভা চরমোনাই পীরের উপস্থিতিতে ভূরুঙ্গামারী ইসলামী আন্দোলনের নতুন কমিটি ডেঙ্গু প্রতিরোধে ভূরুঙ্গামারীতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ভূরুঙ্গামারীতে ইয়াবা-গাঁজাসহ দুইজন গ্রেপ্তার দেশজুড়ে সেরা ডিল ও ডেলিভারি সুবিধা নিয়ে শুরু হচ্ছে দারাজ ৯.৯ অ্যানিভার্সারি সেল ভূরুঙ্গামারীতে উপকারভোগীদের মাঝে এসডিএস’র বকনা বাছুর বিতরণ আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবসে ভূরুঙ্গামারীতে আলোচনা সভা

সোনাভরি নদীতে অবৈধ বাঁধ: জলাবদ্ধতায় তিন ফসলি জমি এখন এক ফসলে, অস্তিত্ব হারাচ্ছে নদী

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩ মে, ২০২৫
  • ২৫৯ বার পড়া হয়েছে

রৌমারী প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার চরশৌলমারী ইউনিয়নের কাজাইকাটা এলাকায় সোনাভরি নদীতে নির্মিত একটি অবৈধ বাঁধ। নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত করে সৃষ্টি করেছে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা। স্থানীয়দের অভিযোগ, এলজিইডির ক্ষুদ্র পানিসম্পদ প্রকল্পের আওতায় নির্মিত এ বাঁধের ফলে তিন ফসলি জমি রূপ নিচ্ছে এক ফসলি জমিতে, আর অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে নদীটি নিজেই।

সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রায় এক দশক আগে চরশৌলমারী ইউনিয়নে ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হয়। এ বাঁধের পানি নিষ্কাশনের জন্য কাজাইকাটা এলাকায় সোনাভরি নদীর উপর একটি স্লুইসগেট নির্মিত হয়। কিন্তু এরপর, প্রায় দেড় থেকে দুই বছর আগে, স্লুইসগেটের সামনের অংশে আরও একটি ৭০০ মিটার দীর্ঘ বাঁধ নির্মাণ করা হয়, যা বর্তমানে নদীর উজানে পানির প্রবাহকে প্রায় পুরোপুরি থামিয়ে দিয়েছে।

এই বাঁধের কারণে চরম জলাবদ্ধতায় ভুগছে চর ইটালুকান্দা, ইটালুকান্দা, ভেড়ামারা, ডিগ্রীর চর ও শান্তির চরের বিস্তীর্ণ জনপদ। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে এই এলাকাগুলো ছয় মাসেরও বেশি সময় পানিতে নিমজ্জিত থাকে। কৃষিজমি, বসতবাড়ি ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এছাড়া, জলাবদ্ধ পানিতে সৃষ্টি হচ্ছে নানা ধরনের পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনো জরিপ ছাড়াই এলজিইডি এই বাঁধ নির্মাণ করেছে। তারা জানান, বাঁধ নির্মাণের সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে স্মারকলিপি দেওয়া হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। উপরন্তু, বাঁধের উজানে কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি ঘের তৈরি করে মাছ চাষ করছেন, যা পরিস্থিতিকে আরও সংকটময় করে তুলেছে।

নদী সংগঠক মহিউদ্দিন মহি বলেন, “নদীর কাজ করতে হলে কমিউনিটির মতামত নেওয়া জরুরি। এখানে স্থানীয়দের মতামত উপেক্ষা করা হয়েছে। জরিপ ছাড়াই এমন কাজ দায়িত্বহীনতার পরিচায়ক।”

স্থানীয় শিক্ষক আমজাদ হোসেন বলেন, “এই বাঁধ অপসারণ না করা হলে কৃষির ভবিষ্যৎ ধ্বংস হয়ে যাবে। এটি একটি গোষ্ঠীর ভুল সিদ্ধান্তের ফল। এখনই পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ জলাবদ্ধতা দেখা দেবে।”

চরশৌলমারী ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মজনু মিয়া বলেন, “এই বাঁধের কারণে মানুষের জীবিকার পথ সংকুচিত হয়েছে। জমি যেমন ডুবে যাচ্ছে, তেমনি নদীভাঙনের ঝুঁকিও বেড়ে গেছে। প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দরকার।”

এ বিষয়ে রৌমারী উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মনছুরুল হক বলেন, “বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে, ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জ্বল কুমার হালদার জানান, “বিষয়টি তাঁর জানা নেই। তবে দ্রুত সরেজমিন তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো খবর


Kurigram Songbad © 2025. All Rights Reserved.
Built with care by Pixel Suggest
error: Content is protected !!