1. atik@kurigramsongbad.com : atik :
  2. editor1@kurigramsongbad.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
  3. sifat@kurigramsongbad.com : sifat :
  4. siteaccess@pixelsuggest.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
সাম্প্রতিক :
নাগেশ্বরীর মেয়ে অনন্যা এবার নেপালে, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশের প্রতিনিধি ভূরুঙ্গামারীতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত ভূরুঙ্গামারীতে আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস পালিত রাজিবপুরে পরোয়ানাভুক্ত দুই আসামি গ্রেপ্তার রাজিবপুরে গরু চুরির চেষ্টায় ছাত্রদল নেতা আটক, পরে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ভূরুঙ্গামারী সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরলেন এক নারী সহ তিন বাংলাদেশী কুড়িগ্রামে এগিয়ে চলছে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি; বাড়ছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও মনোযোগ ভূরুঙ্গামারীতে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় ছয়জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ ভূরুঙ্গামারীতে ফার্মেসি ব্যবসায়ীদের নিয়ে সচেতনতামূলক সভা চরমোনাই পীরের উপস্থিতিতে ভূরুঙ্গামারী ইসলামী আন্দোলনের নতুন কমিটি

জুমার দিন ভোরবেলা যে আতঙ্ক শুরু হয় সৃষ্টিজগতে

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ২০৯ বার পড়া হয়েছে

ধর্ম ডেস্ক:

জুমাবার মুসলমানদের কাছে বিশেষ মর্যাদাসম্পন্ন একটি দিন। হাদিস শরিফ থেকে জানা যায়, আদম (আ.)-এর সৃষ্টিসহ অনেক ইতিহাসের সাক্ষী এই দিন। কেয়ামতও সংঘটিত হবে জুমার দিনেই। রাসুলুল্লাহ (স.) ইরশাদ করেছেন, ‘সূর্য যেসব দিন উদিত হয় অর্থাৎ দিনসমূহের মধ্যে শ্রেষ্ঠতম দিন হলো জুমার দিন। এই দিনে আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে। এই দিন তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে। এই দিনই তাকে জান্নাত থেকে বের করা হয়েছে। কেয়ামতও সংঘটিত হবে এই দিনেই।’ (সহিহ মুসলিম: ৮৫৪; মুসনাদে আহমদ: ৯৪০৯; তিরমিজি: ৪৮৮)

জুমার দিন শুরু হলে কেয়ামত সংঘটিত হওয়ার আশংকায় মানুষ ও জ্বিন ছাড়া সৃষ্টিজগতের সবকিছু ভীত ও আতঙ্কিত থাকে। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘… মানুষ ও জ্বিন ছাড়া এমন কোনো প্রাণী নেই, যারা কেয়ামত কায়েম হওয়ার ভয়ে জুমার দিন ভোর থেকে সূর্য ওঠা পর্যন্ত চিৎকার করতে থাকে না। জুমার দিন একটি সময় আছে, কোনো মুসলিম যদি সে সময় নামাজ আদায় করে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে আল্লাহ তাআলা অবশ্যই তাকে তা দান করবেন।’ (মুআত্তা মালেক: ২৯১; মুসনাদে আহমদ: ১০৩০৩; আবু দাউদ: ১০৪৬; নাসায়ি: ১৪৩০; সহিহ ইবনে হিব্বান: ২৭৭২)

হাদিসে লক্ষণীয়- জুমার দিনের সঙ্গে সম্পৃক্ত বিশেষ কিছু ঘটনা। এর মধ্যে যোগ হয়েছে কেয়ামতও, যা সবচেয়ে ভয়ঙ্কর। যার ভয়ে ভীত ও আতঙ্কিত থাকে সকল সৃষ্টিকুল। ইরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহর নৈকট্যপ্রাপ্ত ফেরেশতারা পর্যন্ত  জুমার দিন (কেয়ামতের আশঙ্কায়) ভীত-সন্ত্রস্ত থাকে। পৃথিবী, আকাশ, বাতাস, পাহাড়, পর্বত, সাগর সবকিছু জুমার দিন (কেয়ামতের আশঙ্কায়) উদ্বিগ্ন থাকে।’ (মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা: ৫৫৫৯; মুসনাদে আহমদ: ১৫৫৪৮; ইবনে মাজাহ: ১০৮৪১)

উপরের হাদিসগুলোতে উদ্ধৃত হয়েছে- জুমার দিন সব প্রাণী এই ভয়ে আতঙ্কিত থাকে যে, না-জানি আজই কেয়ামত হয়ে যায়। এবারতের ভিন্নতায় আরেক হাদিসে এসেছে, আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘সূর্যের উদয় ও অস্ত যাওয়া দিনগুলোর মধ্যে জুমার দিনের চেয়ে শ্রেষ্ঠ দিন নেই। মানুষ ও জ্বিন ব্যতীত এমন কোনো প্রাণী নেই, যা জুমার দিন (কেয়ামত সংঘটিত হওয়ার আশঙ্কায়) ভীত-সন্ত্রস্ত থাকে না।’ (মুসান্নাফে আবদুর রাজজাক: ৫৫৬৩; মুসনাদে আহমদ: ৭৬৮৭; মুসনাদে আবু ইয়ালা: ৬৪৬৮)

সবগুলো হাদিসই প্রমাণ করছে, মানুষ ও জ্বিন ছাড়া সবকিছু এমনকি আকাশ-বাতাস, পাহাড়-সাগরও জুমার দিন শুরু হলেই ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে জুমার দিনের গুরুত্ব অনুধাবন করার তাওফিক দান করুন। অন্তরে আল্লাহর ভয় জাগ্রত করার এবং চূড়ান্ত বিচারদিবসের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণের তাওফিক দান করুন। আমিন।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো খবর


Kurigram Songbad © 2025. All Rights Reserved.
Built with care by Pixel Suggest
error: Content is protected !!