কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও বিশেষ বরাদ্দের মাধ্যমে ইতোমধ্যে বিভিন্ন ছাত্রী হলে প্রায় ৫০০ বাঙ্ক বেড স্থাপন করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, চীন সরকারের সহযোগিতায় ২৪৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হল নির্মাণ প্রকল্প’ মন্ত্রণালয়ে অনুমোদিত হয়েছে এবং এটি এখন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
এছাড়া, ঢাবির উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২৮৪১ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ৪টি নতুন হল ও বিভিন্ন হলের সম্প্রসারণ প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন হলে আগামী ২-৩ বছরের মধ্যে আবাসন সংকট নিরসনের আশা প্রকাশ করেন তিনি।
প্রেস ব্রিফিং-এ উপস্থিত ছিলেন ঢাবির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ, এবং সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের প্রাধ্যক্ষ ও প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুনসহ বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষগণ।












Leave a Reply