1. atik@kurigramsongbad.com : atik :
  2. editor1@kurigramsongbad.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
  3. sifat@kurigramsongbad.com : sifat :
  4. siteaccess@pixelsuggest.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
সাম্প্রতিক :
ভূরুঙ্গামারী সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরলেন এক নারী সহ তিন বাংলাদেশী কুড়িগ্রামে এগিয়ে চলছে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি; বাড়ছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও মনোযোগ ভূরুঙ্গামারীতে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় ছয়জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ ভূরুঙ্গামারীতে ফার্মেসি ব্যবসায়ীদের নিয়ে সচেতনতামূলক সভা চরমোনাই পীরের উপস্থিতিতে ভূরুঙ্গামারী ইসলামী আন্দোলনের নতুন কমিটি ডেঙ্গু প্রতিরোধে ভূরুঙ্গামারীতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ভূরুঙ্গামারীতে ইয়াবা-গাঁজাসহ দুইজন গ্রেপ্তার দেশজুড়ে সেরা ডিল ও ডেলিভারি সুবিধা নিয়ে শুরু হচ্ছে দারাজ ৯.৯ অ্যানিভার্সারি সেল ভূরুঙ্গামারীতে উপকারভোগীদের মাঝে এসডিএস’র বকনা বাছুর বিতরণ আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবসে ভূরুঙ্গামারীতে আলোচনা সভা

উলিপুরে ব্রহ্মপুত্রের ভয়াবহ ভাঙন, নিঃস্ব হচ্ছে গ্রামের পর গ্রাম

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১৭৫ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নে ব্রহ্মপুত্র নদীর ভাঙন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ভাঙনের তীব্রতায় একে একে গ্রাস করছে বসতভিটা, আবাদি জমি, স্থাপনা ও গ্রামীণ সড়ক। সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ছেন স্থানীয়রা।

বিশেষ করে ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে ব্রহ্মপুত্র নদ সর্বগ্রাসী রূপ ধারণ করেছে। গত দুই সপ্তাহে কয়েকশ বিঘা আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। কমপক্ষে ৯টি পরিবারের ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে রয়েছে আরও ৩০ থেকে ৩৫টি পরিবার। হুমকির মধ্যে রয়েছে গ্রামের মার্কাজ মসজিদ, মাদ্রাসা, ঈদগাহ মাঠ ও বেগম নুরুন্নাহার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

স্থানীয় বাসিন্দা নুর আলম জানান, তার পরিবার চলতি বছর প্রায় এক একর জমি হারিয়েছে নদীর ভাঙনে। শেষ পর্যন্ত বসতঘর সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছেন অন্যের জমিতে। একই অবস্থা দিনমজুর আব্দুল বারেক ও রায়হানের। তাদের চোখে-মুখে এখন শুধু হতাশা ও অনিশ্চয়তা।

নুর আলম বলেন, “আমরা নিঃস্ব হয়ে গেলাম। ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে অনেক পরিবার এখন ভূমিহীন। সরকার আমাদের দিকে তাকাচ্ছে না।”

স্থানীয়রা আরও জানান, শুকনো মৌসুমেও নদীতে পানি ও স্রোত বেড়ে যাওয়ায় ভাঙন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। গত দুই বছরে ব্রহ্মপুত্র ও ধরলা নদীর ভাঙনে ইউনিয়নের প্রায় এক হাজার বিঘা জমি বিলীন হয়েছে এবং শতাধিক পরিবার বসতভিটা হারিয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ভাঙন প্রতিরোধে জিও ব্যাগ ফেললেও তা কোনো কাজে আসছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। রসুলপুর গ্রামের মিজানুর রহমান বলেন, “শুধু বালুর বস্তা ফেলে এই ভাঙন ঠেকানো যাবে না। আমাদের গ্রাম রক্ষায় স্থায়ী বাঁধ প্রয়োজন।”

পাউবো কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান জানান, ধরলার উজান থেকে বেগমগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ৬ কিলোমিটার এলাকায় স্থায়ী প্রতিরক্ষামূলক কাজের জন্য টেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে। তবে ব্রহ্মপুত্র তীর রক্ষায় এখনও স্থায়ী প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ স্বল্প হওয়ায় আপাতত স্যান্ড সিমেন্ট ব্যাগ ফেলে প্রতিরক্ষার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। স্থায়ী কাজের জন্য ডিজাইন প্রস্তুত করা হচ্ছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো খবর


Kurigram Songbad © 2025. All Rights Reserved.
Built with care by Pixel Suggest
error: Content is protected !!