1. atik@kurigramsongbad.com : atik :
  2. editor1@kurigramsongbad.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
  3. sifat@kurigramsongbad.com : sifat :
  4. siteaccess@pixelsuggest.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
সাম্প্রতিক :
ভূরুঙ্গামারী সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরলেন এক নারী সহ তিন বাংলাদেশী কুড়িগ্রামে এগিয়ে চলছে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি; বাড়ছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও মনোযোগ ভূরুঙ্গামারীতে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় ছয়জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ ভূরুঙ্গামারীতে ফার্মেসি ব্যবসায়ীদের নিয়ে সচেতনতামূলক সভা চরমোনাই পীরের উপস্থিতিতে ভূরুঙ্গামারী ইসলামী আন্দোলনের নতুন কমিটি ডেঙ্গু প্রতিরোধে ভূরুঙ্গামারীতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ভূরুঙ্গামারীতে ইয়াবা-গাঁজাসহ দুইজন গ্রেপ্তার দেশজুড়ে সেরা ডিল ও ডেলিভারি সুবিধা নিয়ে শুরু হচ্ছে দারাজ ৯.৯ অ্যানিভার্সারি সেল ভূরুঙ্গামারীতে উপকারভোগীদের মাঝে এসডিএস’র বকনা বাছুর বিতরণ আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবসে ভূরুঙ্গামারীতে আলোচনা সভা

কুড়িগ্রামে তেলের সঙ্কট, পাম্পে দীর্ঘ লাইন

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬
  • ২৭৪ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামে জ্বালানি তেলের সংকটের কারণে চলতি সপ্তাহে শহর ও জেলা সীমানার ফিলিং স্টেশনগুলোতে ব্যাপক দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটির পর কর্মস্থলে ফেরার পথে সাধারণ মানুষসহ গণপরিবহনের যাত্রীরা বিপাকে পড়েছেন। ঈদের চতুর্থ দিনেও জেলার অধিকাংশ পাম্পে পেট্রোল ও অকটেন পাওয়া যাচ্ছে না।

জেলা ফিলিং স্টেশনগুলো ঘুরে দেখা গেছে, অনেক স্থানে ‘তেল নেই’ সাইনবোর্ড ঝুলছে, আর কোথাও দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও তেল পাননি চালকরা। বিশেষ করে মোটরসাইকেলচালকরা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন। জরুরি প্রয়োজনে বের হলেও অনেকে মাঝপথেই আটকে যাচ্ছেন।

জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়েছে গণপরিবহনের ভাড়াতেও। তেলের অভাবকে অজুহাত দেখিয়ে ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়েছে, ফলে যাত্রীদের অতিরিক্ত অর্থ খরচ করতে হচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি জানান, “কয়েকদিন ধরে তেলের অভাব দেখা দিয়েছে। গাড়ি নিয়ে বের হওয়ার পর আজ তেল শেষ হয়ে গেছে। এক পাম্প থেকে আরেক পাম্প ঘুরেও তেল পাওয়া যাচ্ছেনা।”

কিছু পাম্পে সীমিত পরিমাণ তেল থাকলেও তা চাহিদার তুলনায় খুবই কম। এতে দীর্ঘ লাইন তৈরি হচ্ছে। এর সুযোগে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বোতলে তেল মজুত করে বেশি দামে বিক্রি করছেন। অভিযোগ রয়েছে, সংকটকে কাজে লাগিয়ে একটি সিন্ডিকেট গোপনে তেল মজুত করে প্রতি লিটার ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি করছে। প্রশাসনের অভিযান কিছুটা শিথিল হলেও কার্যক্রম বন্ধ হয়নি।

সূত্র জানায়, জেলায় প্রায় ২০টি ফিলিং স্টেশনের দৈনিক চাহিদা চার লাখ লিটার, কিন্তু সরবরাহ কমে এসেছে মাত্র ৫০ হাজার লিটারের কাছাকাছি। সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর অনিয়মিত জ্বালানি সরবরাহ এবং ঈদের ছুটি মিলিয়ে কয়েকদিন সরবরাহ বন্ধ থাকায় সংকট আরও প্রকট হয়েছে।

ঢাকায় কর্মরত রাজারহাট উপজেলার রফিকুল ইসলাম বলেন, “ঈদে মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়িতে এসেছিলাম। এখন তেল না থাকায় গাড়ি বের করতে পারছি না। সময়মতো ঢাকায় ফিরতে পারব কি না তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।”

আব্দুল্লাহ ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার আনোয়ারুল ইসলাম রানা বলেন, “সরবরাহে সমস্যা থাকায় পর্যাপ্ত তেল পাচ্ছি না। কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে। আশা করছি দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।”

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ জানান, তিনিসহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে মনিটরিং টিম নিয়মিত ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন করছে। সার্বিকভাবে বিক্রয়কেন্দ্রগুলোর কঠোর নজরদারি চলছে। সংকট নিরসনে সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত আছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো খবর


Kurigram Songbad © 2025. All Rights Reserved.
Built with care by Pixel Suggest
error: Content is protected !!