1. atik@kurigramsongbad.com : atik :
  2. editor1@kurigramsongbad.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
  3. sifat@kurigramsongbad.com : sifat :
  4. siteaccess@pixelsuggest.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
সাম্প্রতিক :
জলাবদ্ধতায় অচল চরনেওয়াজী দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ, দুর্ভোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা জাল নোট দিয়ে ভারতীয় সীমান্ত থেকে মাদক কেনার চেষ্টা, আটক ১ ভূরুঙ্গামারীতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন ভ্যানের সিটের নিচে ১৪ কেজি ভারতীয় গাঁজা, আটক ২ গভীর রাতে পুলিশ পরিচয়ে ফোন, গ্রেফতারের ভয় দেখিয়ে ৩০ হাজার টাকা দাবি শূন্যরেখায় ১৭ দিন অবস্থানের পর রাতের অন্ধকারে উধাও তিন তরুণ ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বঞ্চিত তিন বাহিনীর ১৫০ কর্মকর্তাকে পুনর্বাসন ও বিশেষ সুবিধা প্রদান রংপুরে পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রী প্রসারে ইএসডিও’র লিংকেজ কর্মশালা অনুষ্ঠিত স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে স্বামীর বাড়িতে অনশনে কুড়িগ্রামের তরুণী রংপুরে পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রী প্রসারে ইএসডিও’র লিংকেজ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আজ হাতিয়া গণহত্যা দিবস: উলিপুরে ৬৯৭ শহীদের স্মরণে শোকাবহ দিন

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৫৪৬ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রাম সংবাদ ডেস্ক:

আজ ১৩ নভেম্বর, হাতিয়া গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে ভোরের আলোর ফোটার আগেই কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের অনন্তপুর, দাগারকুটি, হাতিয়া বকসী, রামখানা ও নয়াডারা গ্রামের ৬৯৭ জন নিরীহ মানুষকে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করে পাকিস্তানি বাহিনী।

পাক বাহিনীর অগ্নিসংযোগ ও হত্যাযজ্ঞ থেকে কোলের শিশুরাও রক্ষা পায়নি। অনেক শিশুকে পাক সেনারা ধরে আছাড় মেরে অথবা আগুনে নিক্ষেপ করে জঘন্যতম বর্বরতার মাধ্যমে হত্যা করে।

এভাবেই হাতিয়া ইউনিয়নের বাগুয়া, অনন্তপুর, রামখানা, নয়াডারা ও দাগারকুটি গ্রামসহ পার্শ্ববর্তী গ্রামের মানুষকে যাকে যেখানে পেয়েছে, সেখানেই গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়।

এই অপারেশন শুধু হাতিয়া ইউনিয়নেই সীমাবদ্ধ ছিল না; পার্শ্ববর্তী বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের কলাকাটা, জলঙ্গারকুটি, ফকির মোহাম্মদসহ আরও কয়েকটি গ্রামেও একযোগে হামলা চালানো হয়। সেদিন পাক সেনাদের গুলিতে মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে যাওয়া কিছু মানুষ আজও জীবিত আছেন। সেই দিনের ভয়াবহ ঘটনার কথা জিজ্ঞাসা করলে আজও তারা হাউমাউ করে কেঁদে ওঠেন।

হাতিয়া অপারেশনে পাক বাহিনীর গুলিতে এই পাঁচ গ্রামের প্রায় প্রতিটি পরিবারেরই কোনো না কোনো স্বজন নিহত হন। দেশের স্বাধীনতার জন্য এতো মানুষ প্রাণ দিয়েছেন— সেই সব শহীদের স্মৃতি ধরে রাখার জন্য ১৯৯৭ সালে তৎকালীন সংসদ সদস্য মোজাম্মেল হোসেন লালুর প্রচেষ্টায় প্রথম দাগারকুটিতে (যে স্থানে ৬৯৭ জন মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল) একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়।

পরে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনে সেই স্মৃতিস্তম্ভ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। পরবর্তীতে হাতিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে নতুন স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হলেও দৃষ্টিনন্দনতার কারণে ২০১১ সালে সেটি স্থানান্তর করে বর্তমানে বাগুয়া-অনন্তপুর বাজারসংলগ্ন পশ্চিম পার্শ্বের মোড়ে স্থাপন করা হয়।

পাক বাহিনীর সেই নৃশংস হত্যাযজ্ঞে প্রাণ হারানো ৬৯৭ জন শহীদের আত্মা হয়তো আজও আহাজারি করছে ব্রহ্মপুত্র নদের উপকূলীয় এলাকার গ্রামগুলোর আকাশ-বাতাসে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো খবর


Kurigram Songbad © 2025. All Rights Reserved.
Built with care by Pixel Suggest
error: Content is protected !!