1. atik@kurigramsongbad.com : atik :
  2. editor1@kurigramsongbad.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
  3. sifat@kurigramsongbad.com : sifat :
  4. siteaccess@pixelsuggest.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
সাম্প্রতিক :
কুড়িগ্রামে যমজ তিন বোনের অনন্য সাফল্য, একসঙ্গে পেল ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি জলাবদ্ধতায় অচল চরনেওয়াজী দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ, দুর্ভোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা জাল নোট দিয়ে ভারতীয় সীমান্ত থেকে মাদক কেনার চেষ্টা, আটক ১ ভূরুঙ্গামারীতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন ভ্যানের সিটের নিচে ১৪ কেজি ভারতীয় গাঁজা, আটক ২ গভীর রাতে পুলিশ পরিচয়ে ফোন, গ্রেফতারের ভয় দেখিয়ে ৩০ হাজার টাকা দাবি শূন্যরেখায় ১৭ দিন অবস্থানের পর রাতের অন্ধকারে উধাও তিন তরুণ ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বঞ্চিত তিন বাহিনীর ১৫০ কর্মকর্তাকে পুনর্বাসন ও বিশেষ সুবিধা প্রদান রংপুরে পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রী প্রসারে ইএসডিও’র লিংকেজ কর্মশালা অনুষ্ঠিত স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে স্বামীর বাড়িতে অনশনে কুড়িগ্রামের তরুণী

উলিপুরে আট বছর ধরে ভাঙা সেতু, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২৪৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুড়িগ্রাম:

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু আট বছর ধরে ভেঙে পড়ে আছে। দীর্ঘদিনেও এটি মেরামত বা পুনর্নির্মাণ না করায় এলাকাবাসী—বিশেষ করে শিক্ষার্থী, রোগী ও ব্যবসায়ীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলা শহরের হাসপাতাল মোড় থেকে বড়ুয়া তবকপুর হয়ে রসুলপুর চুনিয়ারপার মোড় পর্যন্ত প্রায় আট কিলোমিটার সড়কটি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) নির্মাণ করেছিল। ওই সড়কের প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে বড়ুয়া তবকপুর বাজারের কাছে থাকা সেতুটি ২০১৮ সালের বন্যায় ভেঙে যায়। এরপর থেকে যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

ভাঙা সেতুর কারণে সড়কের মাঝখানে বিশাল গর্ত তৈরি হয়েছে এবং আশপাশের প্রায় এক একর আবাদি জমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। বর্তমানে এলাকাবাসী ভেলায় পারাপার হচ্ছেন অথবা কৃষিজমির সরু আইল ধরে যাতায়াত করছেন। যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় তিন কিলোমিটারেরও বেশি পথ হেঁটে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে।

স্কুলছাত্র আরিফ হোসেন বলেন,

“বর্ষায় পানি বেড়ে গেলে ভয় লাগে, কখন পানিতে পড়ে যাই কে জানে। তাই মাঝে মাঝে স্কুলেই যেতে পারি না।”

স্থানীয় গৃহবধূ রাহেনা বেগম জানান,

“সেতুটা ভেঙে পড়ে আছে অনেক বছর। অসুস্থ বা গর্ভবতী মহিলাদের নিতে খুব কষ্ট হয়, কেউ আসে না দেখতে। আমাদের সেতুটা ভালো করে দিলে খুব উপকার হতো।”

অটোচালক আমিনুল ইসলাম বলেন,

“আট বছর ধরে এই সেতু ভাঙা পড়ে আছে। যানবাহন চলতে পারে না, মালামাল নেওয়া যায় না। কেউ অসুস্থ হলে ১৫-১৬ কিলোমিটার ঘুরে হাসপাতালে নিতে হয়। কত কষ্ট হয়—সে তো কেবল আমরাই জানি।”

স্কুলশিক্ষক মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন,

“তবকপুর ও আশপাশের কয়েকটি ইউনিয়নের হাজারো মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করেন। ২০১৮ সালে সেতুটি ভাঙার পর থেকে জনপ্রতিনিধিদের কাছে বারবার অনুরোধ করেও কোনো ফল হয়নি। শিক্ষার্থীদের এখনো ঝুঁকি নিয়ে ভেলায় পার হতে হয়।”

এ বিষয়ে উলিপুর উপজেলা প্রকৌশলী প্রদীপ কুমার বলেন,

“সেতুটি নতুন করে নির্মাণের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।”

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের উদাসীনতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে এ গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে। তারা দ্রুত সেতুটি নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো খবর


Kurigram Songbad © 2025. All Rights Reserved.
Built with care by Pixel Suggest
error: Content is protected !!