1. atik@kurigramsongbad.com : atik :
  2. editor1@kurigramsongbad.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
  3. sifat@kurigramsongbad.com : sifat :
  4. siteaccess@pixelsuggest.com : কুড়িগ্রাম সংবাদ :
সাম্প্রতিক :
ভূরুঙ্গামারী সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরলেন এক নারী সহ তিন বাংলাদেশী কুড়িগ্রামে এগিয়ে চলছে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি; বাড়ছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও মনোযোগ ভূরুঙ্গামারীতে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় ছয়জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ ভূরুঙ্গামারীতে ফার্মেসি ব্যবসায়ীদের নিয়ে সচেতনতামূলক সভা চরমোনাই পীরের উপস্থিতিতে ভূরুঙ্গামারী ইসলামী আন্দোলনের নতুন কমিটি ডেঙ্গু প্রতিরোধে ভূরুঙ্গামারীতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ভূরুঙ্গামারীতে ইয়াবা-গাঁজাসহ দুইজন গ্রেপ্তার দেশজুড়ে সেরা ডিল ও ডেলিভারি সুবিধা নিয়ে শুরু হচ্ছে দারাজ ৯.৯ অ্যানিভার্সারি সেল ভূরুঙ্গামারীতে উপকারভোগীদের মাঝে এসডিএস’র বকনা বাছুর বিতরণ আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবসে ভূরুঙ্গামারীতে আলোচনা সভা

লালমনিরহাটে মালচিং পেপার ব্যবহারে করলা চাষে শিক্ষক লক্ষীকান্ত রায়ের চমকপ্রদ সাফল্য

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৯ মে, ২০২৫
  • ১৪৯ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি:

লালমনিরহাট সদর উপজেলার মোগলহাট ইউনিয়নের দুড়াকুটি গ্রামের সহকারী স্কুল শিক্ষক লক্ষীকান্ত রায় করলা চাষে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি কৃষিকাজে সম্পৃক্ত হয়ে তিনি হাইব্রিড জাতের করলা চাষে সাফল্য অর্জন করে এলাকায় একজন সফল কৃষক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।

এবার তিনি ৬ বিঘা জমিতে লাল তীর জাতের হাইব্রিড করলা চাষ করেন এবং পরিবেশবান্ধব মালচিং পেপার ব্যবহার করে বাম্পার ফলন পান। তার এই উদ্ভাবনী কৃষি উদ্যোগ এখন এলাকাবাসীর কাছে একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।

শিক্ষক লক্ষীকান্ত রায় জানান, “সাধারণ পদ্ধতিতে করলা চাষ করলে কাঙ্ক্ষিত ফলন পাওয়া যায় না। তবে মালচিং পেপার ব্যবহারে দ্বিগুণ ফলন মিলছে। এই পদ্ধতিতে গাছ অতিরিক্ত তাপমাত্রা ও অতিবৃষ্টি থেকে রক্ষা পায়, সারের অপচয় রোধ হয়, আগাছা দমন হয় এবং মাটির আর্দ্রতা বজায় থাকে।”

তিনি গত এপ্রিল মাস থেকে করলা উৎপাদন শুরু করেন এবং করলা থেকে বীজ আলাদা করে করলার ছাল বিক্রি করেও ভালো লাভবান হন। তার করলা ক্ষেতে ঘুরে দেখা যায় নজরকাড়া ফলন — ক্ষেতজুড়ে ঝুলে আছে সতেজ ও পরিপুষ্ট করলা, যেন করলার এক রাজ্য।

লাল তীর সীড লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মাহাবুব আনাম, নির্বাহী পরিচালক ড. মোঃ ইসরাত হোসেনসহ বিভিন্ন কৃষি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ শিক্ষক লক্ষীকান্ত রায়ের করলা ক্ষেত পরিদর্শন করেন এবং তার এই প্রয়াসকে ভূয়সী প্রশংসা করেন।

শিক্ষক লক্ষীকান্ত রায়ের এই সফলতা দেখে তার গ্রামে অনেক কৃষক করলা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন এবং তার কাছ থেকে পরামর্শ নিচ্ছেন। এভাবে এক শিক্ষকের উদ্যম ও পরিশ্রম বদলে দিচ্ছে একটি এলাকার কৃষিচিত্র।

এই সাফল্য প্রমাণ করে, সঠিক প্রযুক্তি ও নিষ্ঠা থাকলে কৃষিকাজেও অসাধারণ অর্জন সম্ভব।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরিতে আরো খবর


Kurigram Songbad © 2025. All Rights Reserved.
Built with care by Pixel Suggest
error: Content is protected !!